News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

ট্রাম্পের আগ্রাসী পদক্ষেপ কি বদলে দেবে বৈশ্বিক রাজনীতি?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-01-09, 11:41am

21971112d92850efe68e5cbc2d44c7c905fbfdb1da47b013-83acb203e4ee95026315f4f1929aa3e51767937312.jpg




ভেনেজুয়েলার বিপুল পরিমাণ তেলের মজুদে নজর যুক্তরাষ্ট্রের। এরসঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে আছে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। তেলবাহী ট্যাংকার জব্দের ঘটনায় মস্কোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের উত্তেজনা বাড়ছে। একই সময়ে গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে ট্রাম্পের পরিকল্পনা অস্বস্তিতে ফেলেছে ইউরোপকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আগ্রাসী পদক্ষেপের জেরে বদলে যেতে পারে বৈশ্বিক রাজনীতি।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরে তেলবাহী ট্যাংকার জব্দের ঘটনা এরইমধ্যে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এমন আগ্রাসী আচরণের উদ্দেশ্য আমেরিকা মহাদেশে তেলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রে পরিণত হতে বাধ্য করা।

তবে এরসঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও অনেক পক্ষ।

দু’টি তেল ট্যাংকারের একটিকে নিজেদের বলে দাবি করে নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। তবে এখনো দেশটির কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে ইউক্রেন ইস্যু। যদিও তেল সরবরাহে ভাটা পড়লে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে পারে মস্কো। ফলে বাড়তে পারে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা। 

এদিকে ভেনেজুয়েলা সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমেরিকা মহাদেশের অন্য দেশগুলোতেও। মেক্সিকোকে কঠিন কূটনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।

একদিকে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের নিন্দা করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে মেক্সিকো। বিশ্লেষকরা বলছেন, লাতিন আমেরিকার ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে তা নির্ভর করছে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তার ওপর।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সবকিছু নির্ভর করছে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পথ বেছে নেয় তার ওপর। যদি ওয়াশিংটন শুধু অর্থনৈতিক স্বার্থে সীমাবদ্ধ না থেকে ভেনেজুয়েলার গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে গোটা অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিপথ বদলে যেতে পারে।

নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পরই ফের ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা সামনে এসেছে। অনেকের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখলের যেকোনো চেষ্টা পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সমাপ্তি ঘটাতে পারে। গ্রিনল্যান্ড ইস্যু নিয়ে তাই চরম অস্বস্তিতে পড়েছে ইউরোপ।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে আক্রমণ চালায়, তাহলে পুরো চিত্রই বদলে যাবে। ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য, আর গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ। এতে ন্যাটোর ভেতরেই বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হবে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠবে। নিজেদের সামরিক সক্ষমতা কীভাবে গড়ে তুলবে, তা ইউরোপকে এখনই ঠিক করতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। 

যুক্তরাষ্ট্রের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপ বৈশ্বিক শক্তির সম্ভাব্য ভাগাভাগি তৈরি করতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন যদি নিজেদের প্রভাবক্ষেত্র নির্ধারণ করে নেয় তাহলে এটি হবে বিশ্ব রাজনীতিতে মোড় ঘোড়ানো পদক্ষেপ।