News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

ভারতের পাল্টা শুল্ক আরোপ, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষোভ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-01-20, 8:11am

retretwrw-700268834e32adaa43da073780e7141d1768875102.jpg




যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডাল জাতীয় শস্যের ওপর ৩০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করায় ভারতের ওপর ক্ষোভ করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর স্টিভ ডেইনস ও কেভিন ক্রেমার। তারা ভারতের এই ‘অন্যায্য’ শুল্ক প্রত্যাহারে বাধ্য করতে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওই দুজন প্রভাবশালী সিনেটর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে দাবি করেছেন, ভারতের এই ‘অন্যায্য’ শুল্কের কারণে মার্কিন ডাল উৎপাদনকারীরা বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বছর ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের পাল্টা জবাব হিসেবেই নয়াদিল্লি এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।

সিনেটরদের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মন্টানা এবং উত্তর ডাকোটা রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রে ডাল ও মটরশুঁটি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র।

অন্যদিকে, ভারত হলো বিশ্বের বৃহত্তম ডাল ব্যবহারকারী দেশ, যারা বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ২৭ শতাংশ ভোগ করে। গত বছরের ৩০ অক্টোবর ভারত সরকার হলুদ মটরশুঁটির ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, যা ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।

সিনেটররা ট্রাম্পকে জানান, এই উচ্চ শুল্কের ফলে মার্কিন কৃষকরা ভারতীয় বাজারে অন্য দেশের তুলনায় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা হলে তা মার্কিন উৎপাদক এবং ভারতীয় ভোক্তা— উভয় পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হবে বলে তারা মনে করেন।

চিঠিতে সিনেটররা ট্রাম্পের আগের মেয়াদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ২০২০ সালের বাণিজ্য আলোচনার সময়ও তারা এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে তাদের চিঠি প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, যা মার্কিন উৎপাদকদের আলোচনার টেবিলে জায়গা করে দিতে সাহায্য করেছিল।

সিনেটররা বিশ্বাস করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি বাণিজ্যের অসমতা দূর করতে চায়, তবে মার্কিন কৃষকরা বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহের শূন্যতা পূরণে সক্ষম। তবে এর জন্য ভারতের মতো বড় বাজারগুলোতে অনুকূল বাণিজ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তারা চিঠিতে জোর দিয়েছেন।

মার্কিন সিনেটররা ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন, ভারতের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি যেন  স্বাক্ষরের আগে ডাল জাতীয় শস্যের জন্য বিশেষ ও অনুকূল শর্তাবলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য টানাপড়েন দক্ষিণ এশীয় বাজারে মার্কিন কৃষিপণ্যের ভবিষ্যৎ এবং ভারতীয় বাজারের স্থিতিশীলতাকে এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

এর আগে, ২০১৯ সালে ভারতকে ‘জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স’ (জিএসপি) সুবিধা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে ফাটল ধরেছিল। বর্তমানে ডাল জাতীয় শস্য যেমন মসুর ডাল, ছোলা এবং মটরশুঁটির ওপর ভারতের এই কড়া অবস্থান দুই দেশের নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।