News update
  • Govt Earns Public Trust in First Six Months: Mahdi Amin     |     
  • Myanmar Recognises 309,000 Rohingyas as Former Rakhine Residents     |     
  • Bangladesh Unaware of Hasina’s Status in India: Chief Prosecutor     |     
  • Rooppur to Supply 300MW to National Grid in September     |     
  • Iran Announces $30,000 Reward for Capturing US Troops     |     

ডিবি অফিসে মুখোমুখি জবির দুই শিক্ষক, যা বললেন সেই ছাত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্যাম্পাস 2024-03-21, 8:36am

img_20240321_083957-d2ffdc87fc8ee3eb70897c28838c1a8e1710988832.jpg




জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের দুই শিক্ষককে সেই ছাত্রীর মুখোমুখি করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২০ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে তাদের ডেকে নেওয়া হয়। ওই ছাত্রীর সঙ্গে ডিবি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তার বাবা।

জগন্নাথের ওই ছাত্রী রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ডিবি কর্মকর্তারা আলাদাভাবে তার সঙ্গে কথা বলেছেন। আবার দুই শিক্ষকের সামনেও কথা বলেছেন। অভিযোগের বিষয়ে শুনেছেন ডিবি কর্মকর্তারা।

ওই ছাত্রী আরও বলেন, ডিবি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে দুই শিক্ষককে তার (ছাত্রী) নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কোনো পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন এবং অপর একজনের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

গত সোমবার তিনি ডিবিতে গিয়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদনও করেন।

বিষয়টি নিয়ে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছেও একটি আবেদন করেন। পরদিনই ডিবি ওই ছাত্রী ও দুই শিক্ষককে ডেকে নিল। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন–অর–রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

ডিবি কার্যালয়ে যাওয়া দুই শিক্ষকের একজন গণমাধ্যমকে বলেন, যেহেতু ওই ছাত্রী ডিবিতে অভিযোগ জানিয়েছেন, সেহেতু ডিবি তাদের (দুই শিক্ষক) ডেকেছিল। তারা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

তিনি আরও বলেন, সেখানে ছাত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করতে বলা হয়েছে। তারা বলেছেন, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো কারণই নেই। ছাত্রীর অভিযোগ ‘কাল্পনিক’।

ওই ছাত্রী মঙ্গলবার বলেছেন, যৌন নিপীড়নের অভিযোগের বিচার চেয়ে তিনি ২০২০ সাল থেকে ঘুরছেন। এরপর তাকে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করা হয়েছে। একটি পরীক্ষায় তিনি ৪০–এ শূন্য পান। তিনি বলেন, যে ম্যাডাম তাকে পরীক্ষায় শূন্য দিয়েছেন, তিনি ওই স্যারের বন্ধু ছিলেন।

বিচার চাওয়ার কারণেই তাকে ওই ম্যাডামের একটি ও বিভাগীয় প্রধানের দুটি বিষয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে, সম্প্রতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় যৌন হয়রানি ও নানা নিপীড়নের বিরুদ্ধে এ শিক্ষার্থী সোচ্চার হন। তথ্য সূত্র আরটিভি নিউজ।