
অবশেষে থামল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। মুশফিকের শতরানের উপর ভর করে ৩৯০ রানে অল আউট হয়েছে টাইগাররা। তাতে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ৪৩৬ রানের। ফলে পাকিস্তানকে জিততে হলে করতে হবে ৪৩৭ রান, গড়তে হবে রেকর্ড। কারণ, টেস্ট ক্রিকেট সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে জিতেছিল ক্যারিবীয়রা। তৃতীয় দিন শেষে ২ ওভার খেলে পাকিস্তান কোনো রান করেনি এবং কোনো উইকেটও হারায়নি।
মুশফিকের রেকর্ডগড়া শতক এবং জয় ও লিটন দাসের অর্ধশতকের উপর ভর করে বাংলাদেশ এই পুঁজি পায়। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক খেলেছেন ১৩৭ রানের ইনিংস। তার আগে তিনি গড়েছেন দুইটি রেকর্ড। টেস্টে ১৪তম শতক করেন মুশফিক, ছাড়িয়ে যান পূর্বে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে শতকে শীর্ষে থাকা মুমিনুলকে।
এদিকে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিম এবার গড়লেন আরেক অনন্য রেকর্ড। ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৬ হাজার রান পূর্ণ করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটারের নেই ১৬ হাজার রানের রেকর্ড। মুশফিকের পরেই অবস্থান তামিম ইকবালের। ৩৮৭ ম্যাচে তামিম করেছেন ১৫ হাজার ১৯২ রান।
মুশফিক ছাড়াও লিটন ৬৯ এবং মাহমুদুল হাসান জয় খেলেছে ৫২ রানের ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে চারটি উইকেট নেন খুররাম শাহজাদ। তিনটি উইকেট পেয়েছেন সাজিদ খান।
এদিকে টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান তাড়ার জয় ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। পাল্লেকেলেতে ৩৭৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছিল তারা।