
কিংবদন্তি আম্পায়ার সাইমন টাওফেলের সঙ্গে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ছবি: বিসিবি
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জনে চাওড় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম। রোববার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে যে রিটার্ন টিকিট না কেটেই দেশ ছেড়েছেন বুলবুল। তবে রাতে দেশের এক গণমাধ্যমে বুলবুল নিজেই জানান, দেশেই আছেন তিনি।
নাটকীয়তা এখানেই শেষ নয়, মধ্যরাতে আবারও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে রিটার্ন টিকিট না কেটে দেশ ছেড়েছেন বুলবুল। তবে এবার সেই গুঞ্জনও মিথ্যা প্রমাণিত হলো।
দেশেই আছেন বুলবুল। আজ (২৬ জানুয়ারি) সরেজমিনে তাকে দেখা গেল বিসিবিতে। সকাল ১১টার দিকে সশরীরে মিরপুরে যোগ দিয়েছেন বিসিবির দুই দিনব্যপী ম্যাচ রেফারি ট্রেনিং প্রোগ্রামে। আম্পায়ার্স এডুকেশন নামের প্রোগ্রামটি চলছে কিংবদন্তি আম্পায়ার সাইমন টাওফেলের নেতৃত্বে। সেখানে বক্তৃতা দেয়াসহ টাওফেলের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বলভাবে ছবিও তুলেছেন বুলবুল।
বিসিবির দায়িত্ব নেয়ার পরে অস্ট্রেলিয়ায় নিজের পরিবারের কাছে প্রায়ই গিয়েছেন বুলবুল। তবে এবার তার দেশত্যাগের গুঞ্জন বেশি প্রাধান্য পাওয়ার কারণ- বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের ক্রিকেট এখন অস্থির এক সময় পার করছে। এমন সময় বিসিবি বসের বিদায় সবার জন্যই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্বকাপ সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরেই উত্তপ্ত ছিল ক্রিকেটপাড়া। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া হিসেবে ভারতে খেলতে না যাওয়ার অবস্থান নেওয়ায় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইসিসি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেয়া হলেও সিদ্ধান্ত মেনে নেয় বিসিবি। এতে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে।
এর পাশাপাশি সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে এক বিসিবি পরিচালকের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। গত পরশু পদত্যাগ করেছেন আরেক পরিচালক। আরও দুজন শিগগির পদত্যাগপত্র দিতে পারেন—এমন গুঞ্জনও রয়েছে। এমন অবস্থায় বুলবুলের অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশ ছাড়ার গুঞ্জনটি সত্য হলে বড় ধরনের শুন্যতার সৃষ্টি হতে পারত।