News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

ব্যাটের দামের লাগাম টেনে ধরতে নতুন উদ্যোগ এমসিসির

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-02-04, 6:29am

img_20260204_062722-a4d612fea50b618096ecd0c4aa5343b01770164968.jpg




বর্তমানে ব্যয়বহুল খেলাধুলার মধ্যে অন্যতম হলো ক্রিকেট। খেলাটির প্রধান অস্ত্র ব্যাটের দাম এখন মানুষের নাগালের বাইরে এই বাস্তবতা মাথায় রেখে ক্রিকেটের আইনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)।

ক্রিকেটের আইনপ্রণেতা সংস্থা এমসিসি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ক্রিকেট আইনের সর্বশেষ সংস্করণে ৪২টি আইনের একাধিক ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে। এসব পরিবর্তন ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

এমসিসির ভাষ্য, এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো অপেশাদার ক্রিকেটারদের জন্য খেলাটিকে আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করা।

এমসিসির আইনে সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তনগুলোর একটি হলো ল্যামিনেটেড ব্যাট (টাইপ-ডি) ব্যবহারের অনুমতি। এত দিন এই ধরনের ব্যাট শুধু জুনিয়র ক্রিকেটে ব্যবহারের সুযোগ ছিল। নতুন নিয়মে এখন থেকে বড়দের অপেশাদার বা রিক্রিয়েশনাল ক্রিকেটেও ল্যামিনেটেড ব্যাট ব্যবহার করা যাবে।

সাধারণত এই ব্যাটগুলোতে ভালো মানের ইংলিশ উইলো কাঠের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত সস্তা কাঠ (যেমন কাশ্মীরি উইলো) যুক্ত করা হয়। এতে ব্যাটের পারফরম্যান্স খুব একটা কমে না, অথচ দাম থাকে অনেক কম।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো মানের ইংলিশ উইলো ব্যাটের দাম এক হাজার পাউন্ড বা প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

এমসিসি জানিয়েছে, ল্যামিনেটেড ব্যাট ব্যবহারে ক্রিকেটের গতিপ্রকৃতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না, তবে খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

এমসিসির আইনবিষয়ক ম্যানেজার ফ্রেজার স্টুয়ার্ট বলেন, ইংলিশ উইলোর এখন বড় সংকট। গাছের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। পারফরম্যান্সে বড় পার্থক্য না এনে যদি খেলাটিকে সাধারণ মানুষের নাগালে রাখা যায়, সেটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।