News update
  • Mecca Pact Puts Bangladesh’s Foreign Policy to New Test     |     
  • Remittance reaches $2.34 billion in first 24 days of August     |     
  • BSF men flee leaving behind 2 shotguns, walkie-talkie      |     
  • Bhutan King makes brief stopover in Dhaka, meets President     |     
  • Eid-e-Miladunnabi being observed today     |     

শেখ হাসিনার বক্তব্য ইস্যুতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-08-06, 6:29am

img_20260806_062709-ad7b9413e85995a16895731c1a0654cf1785976173.jpg




মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছে ঢাকা।

বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই মতবিনিময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহিদদের প্রতি গুরুতর অপমান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুদেরসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত তথ্য অস্বীকার করা, ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা এ ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করেছে যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই কোনো পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। এ ছাড়া শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো স্থান হবে না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, একে-অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে একটি গঠনমূলক, পারস্পরিক লাভজনক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। জনগণ অতীতেও এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো তা-ই করছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, যেকোনো অজুহাতে শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রকাশ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে এবং তা বাংলাদেশ-ভারতের সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।