News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

মুরগির দাম বাড়লেও স্বস্তি চালে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-07-03, 2:55pm

346af57db1aeffe40b8ba6fcfa3a83810c74d3199fbeaebb-2db4c8636d95dcc0a23111b7d6821c551783068957.jpg




রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিলেও চালের বাজারে মিলেছে কিছুটা স্বস্তি। তবে দানাদার পণ্যের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায় এবং লেয়ার মুরগির দাম রয়েছে ৩৪০ টাকা কেজি।

এতে অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার করতে আসা ক্রেতা আবদুল কাদের বলেন, ‘মুরগি এখন মধ্যবিত্তের প্রধান আমিষ। কিন্তু প্রতি সপ্তাহেই যদি ২০-৩০ টাকা করে দাম বাড়ে, তাহলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়।’

তবে মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, খামার পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে। সেই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। মুরগি বিক্রেতা মো. দিদার বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় আমরা খামার থেকেই বেশি দামে মুরগি কিনছি। তাই বাধ্য হয়ে খুচরা দামও বাড়াতে হয়েছে। আমাদের ইচ্ছা করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই।’

অন্যদিকে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৭২ টাকা। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৫২ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় দাম কিছুটা কমেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে খুচরা বাজারেও আরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক চাল ব্যবসায়ী বলেন, নতুন চাল বাজারে আসছে এবং সরবরাহও কিছুটা বেড়েছে। তাই পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। খুচরা বাজারেও ধীরে ধীরে এর প্রভাব পড়বে।

এদিকে স্বস্তি রয়েছে সবজির বাজারে। বেশিরভাগ সবজিই ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

বর্তমানে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, করলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কহি ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা এবং পটল ৪০ টাকায়। এছাড়া আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, ‘এখন বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো। তাই বেশির ভাগ সবজির দাম ৪০-৫০ টাকার মধ্যেই রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে সামনে দাম আরও কমতে পারে।’

গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। তবে মাছের বাজারে দেশীয় মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ইলিশের দাম এখনো চড়া। বর্তমানে চাষের কৈ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা, কাতলা ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং টেংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে।

ইলিশের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজিতে। আর দেড় কেজি ওজনের বড় ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বড় ইলিশের সরবরাহ সীমিত থাকায় দাম এখনো বেশি। এক মাছ বিক্রেতা বলেন, ইলিশের চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে। কিন্তু বড় মাছ পর্যাপ্ত পরিমাণে আসছে না। তাই দামও কমছে না।