News update
  • Passenger ferry fire in Indonesia leaves 5 dead, dozens missing     |     
  • Sheikh Hasina To Make First Public Appearance     |     
  • Dhaka's Air Quality Remains Moderate     |     
  • Critical Minerals Boost Clean Energy; Must Fuel Peace, Dev Too     |     

টানা বৃষ্টিতে বাজারে ভোগান্তি, বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-07-10, 12:01pm

img_20260710_120041-4e10a057f7c0e3dc7e693aa474aa3f821783663284.jpg




টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ রাজধানীর অনেক সড়ক; সেই প্রভাব পড়েছে বাজারেও। বাজারের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। এরই মধ্যে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। তবে সবজি ও মুরগির বাজারে বড় কোনো অস্থিরতা নেই। অন্যদিকে ডিমের দাম কিছুটা বাড়লেও; কমেছে চালের দাম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

সরেজমিনে দেখা যায়, টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে আসতে ঝামেলা পোহাতে হয়েছে ক্রেতাদের। আবার জলাবদ্ধতার মধ্যে দোকান বসিয়ে বেচাকেনা করতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। অনেকেই বাজারে এসেছেন কাকভেজা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে কাঁচামরিচের সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৮০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে।

তবে সবজির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। হাতেগোণা দুই-একটি সবজির দাম বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগের দাম। প্রতিকেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, কাঁকরোল ও করলা ৭০ টাকা কেজি দরে। আলু ও পেঁয়াজের দামও যথাক্রমে ২৫ টাকা ও ৩০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মরিচের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অন্য সবজির সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক আছে। এজন্য সেগুলোর দামে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।’

বাজার করতে আসা ক্রেতা সেলিম হোসেন বলেন, সবজির দাম মোটামুটি সহনীয় আছে। কিন্তু কাঁচামরিচের দাম হঠাৎ এত বেড়ে যাওয়ায় বিপদে পড়েছি। রান্নায় প্রতিদিন লাগে, তাই না কিনেও উপায় নেই।

আরেক ক্রেতা নাসরিন আক্তার বলেন, বৃষ্টিতে বাজারে আসতেই কষ্ট হয়েছে। তার ওপর মরিচ আর ডিমের দাম বেড়েছে। তবে চালের দাম কিছুটা কমায় অন্তত একটু স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে ডিমের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আর প্রতি ডজন সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, খামার থেকে ডিমের দাম কিছুটা বেড়ে এসেছে। তাই খুচরা বাজারেও ১০ টাকা বাড়াতে হয়েছে।

মুরগির বাজার অবশ্য স্থিতিশীল রয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।

অন্যদিকে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। সেদ্ধ চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৪ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭৫ থেকে ৭৬ টাকা। তবে পোলাওয়ের চালের বাজারে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। দাম কিছুটা বেড়ে প্রতিকেজি পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়।

মাছের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। বর্তমানে চাষের পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতলা ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে।