News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

আমের আঁটি ও কাঁঠালের বিচির অবাক করা উপকারিতা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-07-19, 7:19pm

retgert45435-5edb85ca288ba9849fb51a253e76c8bd1784467190.jpg




গ্রীষ্মকাল মানেই রসালো আম আর সুস্বাদু কাঁঠালের মৌসুম। ফল খাওয়ার পর বেশিরভাগ মানুষই আমের আঁটি ও কাঁঠালের বিচি ফেলে দেন। অথচ এই দুই অংশেই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

বর্তমানে চলছে আম ও কাঁঠালের মৌসুম। এসময়ে মানুষজন প্রচুর আম-কাঁঠাল খেয়ে থাকেন। তবে আম ও কাঁঠালের বিচি অনেকেই ফেলে দেন। কিন্তু এসব বিচির উপকারিতা জানলে আপনি অবাক হবেন।

আমের আঁটি বা বিচির উপকারিতা-

১. আমের বিচি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

৩. ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে আমের বিচির নির্যাস খেতে পারেন। ফ্যাট বার্ন করতে আমের বিচি অত্যন্ত কার্যকরী।

৪. ডায়রিয়া হলে আমের বিচি শুকিয়ে গুঁড়ো করে পানির সঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৫. এর গুঁড়ো স্ক্যাল্পে লাগালে খুশকির সমস্যা দূর হয়।

কাঁঠালের বিচির উপকারিতা

১. প্রোটিন ও ফাইবারের ভালো উৎস: কাঁঠালের বিচিতে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

২. ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ: এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও বি-ভিটামিনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

৩. শক্তি জোগায়: বিচিতে থাকা জটিল শর্করা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে, ফলে দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম থাকতে সহায়তা করে।

৪. হৃদ্‌স্বাস্থ্যে সহায়ক: পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৫. অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো: ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।

কীভাবে খাবেন?

কাঁঠালের বিচি সেদ্ধ, ভুনা বা তরকারিতে রান্না করে খেতে পারেন।

আমের আঁটির ভেতরের শাঁস শুকিয়ে গুঁড়ো করে সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা যায়। তবে এটি খাওয়ার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার ও প্রক্রিয়াজাত করা জরুরি।