News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

রুমিন ফারহানা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের চিঠি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-01-18, 10:41pm

et65765y-85f5015df4483ae7984fdfa28669dab81768754467.jpg




ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি প্রদান, আক্রমণাত্মক অঙ্গভঙ্গি এবং বিচারিক কাজে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে চিঠি প্রদান করেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু বকর সরকার।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের সিভিল জজ ও নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির আশরাফুল ইসলামের কাছে চিঠিটি প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খানের বিরুদ্ধে প্রার্থী রুমিন ফারহানা এবং তার সহযোগীরা একাধিক বেয়াদবিপূর্ণ ও হুমকিমূলক আচরণ করেন। রুমিন ফারহানা বারবার ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে আক্রমণাত্মকভাবে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও আঙুল উঁচিয়ে ইংরেজিতে সতর্ক করে বলেন, ‘দিজ ইজ দ্যা লাস্ট টাইম আই ওয়ার্নিং ইউ, আই উইল নট লিসেন টু দিজ।’

বাংলায় তিনি ‘আপনি পারলে থামাই দেন, আজকে ভদ্রতা দেখাচ্ছি, নেক্সট টাইম কিন্তু এই ভদ্রতা করব না’–এমন কথাও বলেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বলেন, ‘বুইড়া আঙ্গুল দেখায়, আপনারা কিচ্ছু করতে পারেন না।’

একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা উপস্থিত জনতাকে দেখিয়ে হুমকি দেন এবং জনগণকে ক্ষেপিয়ে মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘আজকে আমি আঙুল তুলে বলে গেলাম, আমার এই মানুষ, এইখান থেকে বাইর হইতে পারবেন না... মাথায় রাইখেন।’

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জুয়েল মিয়াসহ অন্যান্যরা মারমুখী আচরণ করেন, যা বিচারিক কাজে বাধা এবং কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি প্রদানের শামিল।

অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইতোমধ্যে গত ১১ জানুয়ারি রুমিন ফারহানার আরেক সমর্থক আশিকুর রহমানকে নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। অর্থাৎ, এক সপ্তাহের মধ্যে একই প্রার্থীর পক্ষ থেকে নির্বাচনি বিধি লঙ্ঘনের দ্বিতীয় ঘটনা রেকর্ড করা হলো।

প্রশাসনের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। নোটিশে বিষয়টির সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

পরিশেষে উল্লেখ করেন, বিচারিক কাজে বাধা প্রদান ও সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়া একটি গুরুতর অপরাধ। নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।