News update
  • PM arrives in New York to attend 81st UNGA session     |     
  • Jatri Kalyan Samity urges withdrawal of increased fuel prices     |     
  • Global Diesel Shortage Likely to Persist Into 2027     |     
  • PM to Present Bangladesh Vision at UNGA: Mahdi     |     
  • LDC graduation must strengthen, not constrain development: Titumir     |     

নির্বাচন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-01-23, 10:28am

aacb8ddff19afd10918bfc27282959ecfeb2411d32478046-922e54239c865c0d09b9bb70364b1cab1769142525.jpg




প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের সব ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। 

বৈঠককালে, উভয়পক্ষ আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক অনুমোদিত শ্রম আইন, বাংলাদেশ-মার্কিন শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আসিয়ান সদস্যপদ অর্জনের জন্য ঢাকার প্রচেষ্টা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য সার্ককে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তাসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতিগত উদ্যোগগুলোও তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিপুল সংখ্যক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে এবং আশা প্রকাশ করেন যে অন্যান্য উন্নয়ন অংশীদাররাও নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। এটি ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের জন্য মানদণ্ড স্থাপন করবে। 

জবাবে, এই মাসের শুরুতে বাংলাদেশে আসা রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেই জিতুক তার সাথে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং গত ১৮ মাসে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন নতুন জারি করা শ্রম আইনেরও প্রশংসা করেছেন।

অধ্যাপক ইউনূস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি রফতানির ওপর শুল্ক কমানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা আরও শুল্ক কমানোর দিকে পরিচালিত করবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চলমান ঢাকা-ওয়াশিংটন আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে কৃষি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের শিবিরে বসবাসরত দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমকে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা করেন অধ্যাপক ইউনূস।

দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আসিয়ানের সদস্যপদ চাইছে এবং ইতিমধ্যেই আঞ্চলিক ব্লকের সাথে একটি সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করেছে।

অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, তিনি গত ১৮ মাস ধরে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জোরাল প্রচেষ্টা চালিয়েছেন যাতে এই অঞ্চলের জনগণ এবং অর্থনীতিকে আরও কাছাকাছি আনা যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে পরবর্তী সরকার এই উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়েও আলোচনা করেছেন।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।