News update
  • Voting in presidential election Thursday     |     
  • Nairobi Biodiversity Talks Set the Stage for Key COP17 Decisions     |     
  • Indigenous Peoples Call for Meaningful Influence in Climate Discussions — Nia Tero     |     
  • Demand for an hour-long a weekly BTV program titled “Farmer’s Thoughts”     |     
  • ECNEC Approves 10 Projects Worth Tk 9,333 Crore     |     

মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্রে অভিযান, ৮ বাংলাদেশিসহ আটক ১৫২

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-05-16, 8:01am

e737827f44acfb6435659e336fd0ca6425ae3842c25bf6e8-4007ebfcdd1aa103703fbef996f499f41778896864.jpg




মালয়েশিয়ার বুকিত বিনতাংয়ের চ্যাংকাট এলাকার একটি পাঁচতারা মানের বিনোদন কেন্দ্রে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮ বাংলাদেশিসহ ১৫২ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে একটি তিনতারা হোটেলের প্রথম থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত বিস্তৃত ওই কেন্দ্রে তল্লাশি চালানো হয়।

অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্রটি গত তিন মাস ধরে বিদেশি নাগরিকদের মাধ্যমে দেহব্যবসার প্যাকেজ পরিচালনা করে আসছিল এবং শুধুমাত্র ভিভিআইপি গ্রাহকদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতো।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে মোট ২৪৩ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ১৯৪ জন বিদেশি এবং ৪৯ জন স্থানীয় নাগরিক ছিলেন।

আটককৃত ১৫২ জন বিদেশির মধ্যে ১২৯ জন চীনের নাগরিক। এছাড়া তাইওয়ানের ২ জন, ভিয়েতনামের ৫ জন, মিয়ানমারের ৫ জন, বাংলাদেশের ৮ জন এবং ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক ও ভানুয়াতুর ১ জন করে নাগরিক রয়েছেন।

তদন্তে জানা গেছে, অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা এই বিনোদন কেন্দ্রটির কক্ষ ভাড়া ছিল আকাশচুম্বী। একেকটি এক্সক্লুসিভ রুমের ভাড়া ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ রিঙ্গিত পর্যন্ত রাখা হতো, যা গ্রাহকরা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময়ের জন্য বুক করতে পারতেন। অভিযানের সময় অনেক বিদেশি নাগরিক উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, যার ফলে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি প্রথমে টেরও পাননি। সেখান থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।

আটককৃতদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে এবং তাদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে অধিকতর তদন্তের জন্য পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, অবৈধভাবে বসবাস, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া বা পাসের অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগকর্তা বা আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।