News update
  • Kuakata's natural beauty destroyed by intense sea erosion     |     
  • 461 stranded tourists evacuated from Sajek Valley     |     
  • 30,000 marooned as Khowai embankment breaches in Habiganj     |     
  • Floods Leave Southern Chattogram Under Water     |     
  • Karmasangsthan Bank Aims to Create 900,000 Jobs     |     

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক নিয়োগে নতুন নিয়ম: আগে সুযোগ পাবে স্থানীয়রা, তারপর বিদেশি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-07-11, 6:22am

img_20260711_061937-2332b07456a48032da34042a037d49e81783729332.jpg




বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনেছে মালয়েশিয়া সরকার। এখন থেকে ‘কেস-বাই-কেস’ তথা ব্যক্তিভিত্তিক সুপারিশের মাধ্যমে কোনো বিদেশি শ্রমিকের কোটা অনুমোদন করা হবে না। তার পরিবর্তে পুরো প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করে ‘ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এফডব্লিউসিএমএস)-এর ‘ই-কোটা’ মডিউলের আওতায় আনা হয়েছে।

গত সোমবার (৬ জুলাই) এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে মানবসম্পদ উপমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান শ্রমিক নিয়োগের নতুন নিয়মের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও পদ্ধতিগত করা হয়েছে, যেখানে কোনো তদবির বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে কোটা বাগিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনার ওয়ান-স্টপ সেন্টারকে সম্পূর্ণরূপে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে এফডব্লিউসিএমএস সিস্টেমের সোর্স কোড ও সুপার অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এই মন্ত্রণালয়ের হাতে।

এরই মধ্যে এই সিস্টেমে ৫৪৮টি কোম্পানির পক্ষ থেকে ২২ হাজার ৪৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে নিয়োগকর্তাদের জন্য শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার আগে অবশ্যই স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এজন্য প্রথমে মাইফিউচারজবস পোর্টালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং কর্মসংস্থান আইনের ৬০কে ধারা অনুযায়ী অনুমোদন নিয়ে স্থানীয় কর্মী খোঁজার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উপযুক্ত স্থানীয় কর্মী না পাওয়া গেলেই কেবল বিদেশি শ্রমিকের আবেদন বিবেচনা করা হবে।

একই সাথে মালয়েশিয়ায় আগত নতুন বিদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাদের সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি ট্রানজিট সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের ভিড় কমাতে এবং নিয়োগকর্তারা এসে নিজ দায়িত্বে নিয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত শ্রমিকরা এই সেন্টারে অবস্থান করবেন।

তবে কোটা অনুমোদন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিচালনা করলেও, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিদেশি শ্রমিকদের কাজের পারমিট বা পাস ইস্যু করার চূড়ান্ত ক্ষমতা পূর্বের মতোই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (কেডিএন) হাতেই বহাল থাকছে।