
অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। এখন থেকে চাহিদামতো ভিসা দেওয়ার নিয়ম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা আগের মতো সহজে আর পরিবার বা স্বজনদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক ভাষণে এই নতুন কড়াকড়ির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
এই নতুন সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অর্থনীতির কোনো ক্ষতি না করে অভিবাসীদের সংখ্যা কমিয়ে আনা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, দেশের প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে, যেন অর্থনীতি সচল রেখে অভিবাসন সামাল দেওয়া যায়।
নতুন নিয়মে ভিসা দেওয়ার পুরো ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী দুই বছরের মধ্যে অভিবাসীর সংখ্যা তিন লাখ পাঁচ হাজার থেকে কমিয়ে দুই লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। গত বছর প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থীকে ভিসা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৪৫ হাজারই ছিল তাদের পরিবার বা স্বজন। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এখন থেকে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে পরিবার ছাড়াই একা আসতে হবে।
তাছাড়া, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে থেকে যাওয়া বন্ধ করতে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এক ভিসা থেকে অন্য ভিসায় যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা, আপিলের দীর্ঘ প্রক্রিয়া কমিয়ে আনা ও অবৈধভাবে বসবাসকারীদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।