News update
  • ADP Implementation Hits Five-Year Low at 1.85%     |     
  • NYC BNP leaders, activists upbeat ahead of Tarique Rahman’s arrival     |     
  • PM off to New York to attend UNGA     |     
  • 8 Killed in Ashulia Garment Factory Fire      |     
  • Apratim Murder Suspects Confessed, Says Home Minister     |     

মালয়েশিয়ায় ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত হাইকমিশনের জরুরি নোটিশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2024-04-17, 8:26pm

images-18-27bf75dc05c10bdd2c89dedda862a9531713364033.jpeg




মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে জরুরি নোটিশ জারি করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে মালয়েশিয়ায় ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ এপ্রিল) কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ের কাউন্সেলর মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

প্রবাসী বাংলাদেশি, যাদের এমআরপি পাসপোর্ট রয়েছে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে তাদের নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে-

১. ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করার ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়োগকৃত আউটসোর্সিং কোম্পানি ‘এক্সপ্যাট সার্ভিসের কুয়ালালামপুর এসডিএনবিএইচডি’ (ইএসকেএল)-এর নির্ধারিত স্থান হতে পূরণ করতে হবে।

২. ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।

৩. ই-পাসপোর্ট ফরমে কোনো ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

৪. জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন) অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)/ জন্মনিবন্ধন সনদের (বিআরসি) অনলাইন ভেরিফায়েড কপি দাখিল করতে হবে।

৫. অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, সেক্ষেত্রে তার বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও অনলাইন ভেরিফায়েড কপি দাখিল করতে হবে।

৬. জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে- (ক) ১৮ বছরের কম হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন), (খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন), (গ) ২০ বছরের বেশি হলে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন) গ্রহণযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র ও অনলাইন ভেরিফায়েড কপি দাখিল করতে হবে।

৭. ফরমে তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।

৮. দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সঙ্গে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।

৯. ১৮ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি সব আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।

১০. প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।

১১. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও/এনওসি/প্রত্যয়নপত্র/অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (পিআরএল অর্ডার)/পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে, যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ ওয়েব সাইটে আপলোড থাকতে হবে।

১২. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ম্যারিজ সার্টিফিকেট/ডিভোর্স সার্টিফিকেট (ইংলিশ ভার্সন) আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সত্যায়িত হতে হবে।

১৩. স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিজ এলাকার কমিশনার/চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

১৪. কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।

১৫. বৈদেশিক মিশন থেকে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে, স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

১৬. আবেদনের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি ইংরেজি ভার্সন) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ জিও/অনাপত্তি (এনওসি) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।

১৭. বৈদেশিক মিশনে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট ও ভিসা প্রদর্শন করতে হবে।

১৮. হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে এবং আবেদনের সাথে তার কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।

১৯. ৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে থ্রি-আর অথবা ফোর-আর সাইজের (ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড) ছবি দাখিল করতে হবে।

২০. পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় পুলিশ রিপোর্ট করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরনো পাসপোর্টের ফটোকপি এবং পুলিশ রিপোর্ট কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।

ই-পাসপোর্ট আবেদন দাখিলের জন্য আবেদনকারীকে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়োগকৃত আউটসোর্সিং কোম্পানি ‘এক্সপ্যাট সার্ভিসের কুয়ালালামপুর এসডিএনবিএইচডি’ (ইএসকেএল)-এর মাধ্যমে এপয়েন্টমেন্ট নেয়া বাধ্যতামূলক। নিম্নোক্ত উভয় পদ্ধতিতেই এপয়েন্টমেন্ট নেয়া যাবে।

ওয়েব লিংক: www.expatserviceskl.com

অথবা https://www.expatservicesmy.com/#/book appointment

ঠিকানা: সাউথগেট কমার্শিয়াল সেন্টার, লেভেল-২, ব্লক ই, নং-২, জালান দুয়া অফ জালান চ্যান সো লিন-৫৫২০০, কুয়ালালামপুর।

ই-পাসপোটের সরকারি ফি:

ভিসা ক্যাটাগরি (সাধারণ শ্রমিক) ৪৮ পাতা ৫ বছর মেয়াদির জন্য ১৬৪ রিঙ্গিত (ইএসকেএল সার্ভিস চার্জ বাবদ ৩২ রিঙ্গিত। ভিসা ক্যাটাগরি (অন্যান্য) ৪৮ পাতা ৫ বছর মেয়াদির জন্য ৫৪৫ রিঙ্গিত (ইএসকেএল সার্ভিস চার্জ বাবদ ৬০ রিঙ্গিত।

এ ছাড়া কোনো প্রবাসী ই-পাসপোর্ট করতে চাইলে ব্যাংক ড্রাফ্ট থেকে শুরু করে ফর্ম পূরণ পর্যন্ত সব কাজেই সহযোগিতা করবেন এক্সপ্যাট সার্ভিসের কর্মীরা। প্রয়োজনে প্রবাসীদের +৬০৩৯২১২০২৬৭ নম্বরে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরটিভি নিউজ।