News update
  • Four New Ministers, Two State Ministers Get Portfolios     |     
  • China Mulls Bid to Host 2028 UN Climate Talks     |     
  • Ebola outbreak spreading exponentially, UN responders warn     |     
  • Four sworn in as ministers, two more as state ministers     |     
  • Mirza Fakhrul takes oath as 23rd President     |     

বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি ইউরোপের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ফুটবল 2026-07-29, 3:40pm

fifa_wc-8e7a416ccfab9fe40524118758f2cc2e1785318053.jpg




বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটির এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে উয়েফা। শুধু তাই নয়, প্রতিবাদ হিসেবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, ফিফার প্রস্তাবিত নতুন বাণিজ্যিক কাঠামোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে চলতি সপ্তাহেই ভার্চুয়াল বৈঠকে বসতে যাচ্ছে উয়েফাভুক্ত দেশগুলো। বৈঠকে ফিফার পরিকল্পনা ঠেকানোর কৌশল এবং চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে আলোচনা হবে। আলোচনার অন্যতম বিষয় হিসেবে রয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপ বয়কটের কথাও।

ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন সহায়ক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ফিফার দাবি, নতুন কোম্পানিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪.২ বিলিয়ন ডলারের সংখ্যালঘু শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। তবে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ ফিফার হাতেই থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এই পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করেছে উয়েফা। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘এটি এমন একটি সীমা অতিক্রম করেছে, যা ফুটবলের পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোর কখনোই অতিক্রম করা উচিত নয়। উয়েফা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।’

উয়েফা আরও বলেছে, ‘ফুটবলের আত্মা ও এর শাসনব্যবস্থা কোনো বেচাকেনার সম্পদ নয়। বিশেষ করে আর্থিকভাবে কারা লাভবান হবে, সে বিষয়ে কোনো স্বচ্ছতা নেই। ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, তাই এটি বিক্রি করার অধিকারও ফিফার নেই।’

ফিফার এই পরিকল্পনাকে ঘিরে ইউরোপীয় ফুটবলে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তা ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে স্পেন ও পর্তুগাল বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক হওয়ায়, উয়েফাভুক্ত দেশগুলোর পরবর্তী সিদ্ধান্ত এখন বিশ্ব ফুটবলে বড় ধরনের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।