News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

দেশের মোটরসাইকেল প্রেমীদের জন্য বড় সুখবর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বানিজ্য 2026-08-25, 3:38pm

ewret56-0c6aecfd9621a6dfff0a9ea0887d45251787650735.jpg




দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় বা সিবিইউ হিসেবে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।

নতুন নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে। ফলে দেশের মোটরসাইকেল বাজারে নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এতে স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ ও সম্প্রসারণে আরও কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা।

এ ছাড়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল বা ফ্রি ট্রেড জোন এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধানও রাখা হয়েছে নতুন নীতিতে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা দেওয়া এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে কাঁচামাল আমদানির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

আগের ২০২১-২০২৪ আমদানিনীতি আদেশে এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন আদেশে সেই সুযোগ আরও বিস্তৃত করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।