
বিশ্ববাজারে চালসহ কিছু দানাদার খাদ্যের দাম বাড়ছে। তবে দুগ্ধজাত পণ্য, চিনি ও মাংসের দাম কমতির দিকে থাকায় টানা পাঁচ মাস ধরে সামগ্রিকভাবে খাদ্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী রয়েছে।
সম্প্রতি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
এফএওর মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা পাঁচ মাস ধরে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কমছে। জানুয়ারিতে খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। আর বছর ব্যবধানে কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে গম ও ভুট্টার দাম কিছুটা নিম্নমুখী থাকলেও পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে দানাদার খাদ্যের সামগ্রিক দাম মাস ব্যবধানে দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে সুগন্ধি চালের চাহিদা বাড়ায় বিশ্ববাজারে চালের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে জানুয়ারিতে দাম বেড়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশ। এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাম তেল ও সয়াবিন তেলের চাহিদা সরবরাহের তুলনায় বেশি থাকা এবং কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে সূর্যমুখী তেলের সরবরাহ সংকট।
মাংসের বাজারে মুরগির মাংসের দাম কিছুটা বাড়লেও ভেড়া ও গরুর মাংসসহ অন্যান্য মাংসের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং দুর্বল চাহিদার কারণে ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে সামগ্রিকভাবে মাংসের দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে।
অন্যদিকে, পনির ও মাখনের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বিশ্ববাজারে দুগ্ধজাত পণ্যের দাম ৫ শতাংশ কমে গেছে। একইভাবে, চলতি মৌসুমে চিনির সরবরাহ বাড়বে-এমন প্রত্যাশায় জানুয়ারিতে চিনির দাম ১ শতাংশ কমেছে।