News update
  • Borrowing from central bank ‘suicidal’ for economy: Dr. Fahmida     |     
  • Fuel Queues Ease As Supply Rises, Demand Falls     |     
  • PM says govt working to reopen closed factories     |     
  • 7-year Sukuk worth Tk 5,900cr planned for rural bridge project     |     
  • Unplanned bundhs worsen flooding, crop losses in Sunamganj haors     |     

তরুণ গল্পকারদের ক্ষমতায়নে তিন বছর পূর্তি উদযাপন করল ভিভো ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-05-02, 11:54pm

img_20260502_235253-65cd5808271954509edb51a74d3936d41777744475.jpg




ভিভো বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ বগুড়ায় সফলভাবে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার ২০২৬” আয়োজন সম্পন্ন করেছে, যা শিশুদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তাদের তিন বছরের সম্মিলিত প্রচেষ্টার উজ্জ্বল প্রতিফলন।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্মার্টফোনকে আত্মপ্রকাশ ও আত্মবিশ্বাস গড়ার একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির ব্যবহারিক দক্ষতা শেখানো হচ্ছে, যাতে তারা ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।

গত তিন বছরে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ঢাকা, খুলনা এবং বগুড়ার ৩০০-এর বেশি শিশু অংশ নিয়েছে। এতে তারা ফটোগ্রাফি দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং ছবি দিয়ে ধারণা প্রকাশের ক্ষমতা অর্জন করেছে, পাশাপাশি ডিজিটাল জ্ঞানও উন্নত হয়েছে।

এ বছরের বগুড়া পর্বে শিশুরা ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহার করে ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি এবং গল্প বলার প্রশিক্ষণে অংশ নেয়। এই সেশনগুলো তাদের চারপাশ পর্যবেক্ষণ, সৃজনশীল চিন্তা এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলোকে ভিজ্যুয়াল গল্প হিসেবে ধারণ করতে উৎসাহিত করে।

সর্বশেষ ধাপে ৩০ এপ্রিল ও ১ মে বগুড়ায় দুই দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেয় এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ছবি তোলে। ২ মে একটি সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের কাজ প্রদর্শিত হয় এবং তাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ও উদীয়মান গল্প বলার দক্ষতা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অংশগ্রহণকারীদের পরিবার এবং ফটোগ্রাফাররা।

ভিভো বাংলাদেশের সহকারী ব্যবস্থাপক, তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, “প্রদর্শনীর মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ছবিতে তিন বছরের অগ্রগতি দেখতে পেয়েছি। শিশুরা শুধু ফটোগ্রাফি শিখেনি, তারা তাদের নিজের পৃথিবী প্রকাশ করার একটি উপায় খুঁজে পেয়েছে।”

পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান, তানভীর মুরাদ তপু বলেন, “তাদের আত্মবিশ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই আগে স্মার্টফোন সৃজনশীলভাবে ব্যবহার করেনি, কিন্তু এখন তারা নিজেদের গল্প শেয়ার করছে।”

১৪ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারী মালিহা বলেন, “এখন আমি আমার জীবনকে ভিন্নভাবে দেখি। প্রতিটি ছবির একটি গল্প আছে এবং আমি সেটাই বলতে চাই।”

এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশের ফান্ড ডেভেলপমেন্ট ও কমিউনিকেশন বিভাগের উপ-পরিচালক রাসেল মিয়া বলেন, “আমাদের শিশুদের এত গর্বিত দেখতে পাওয়া অত্যন্ত আবেগঘন ছিল। এই প্রোগ্রাম তাদের দক্ষতার পাশাপাশি অর্জন ও অন্তর্ভুক্তির অনুভূতিও দিয়েছে।”

প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতাকে একত্রিত করে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার” দেখিয়েছে কীভাবে ডিজিটাল টুলস অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাকে সমর্থন করতে পারে এবং শিশুদের শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ক্ষমতায়িত করতে পারে। এই ধারাবাহিকতায় ভিভো ভবিষ্যতেও এই উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।