News update
  • Crackdown on extortionists, criminals to be intensified : Home Minister     |     
  • Trump says top tech firms have signed accord to 'self-police' AI dev     |     
  • France Student Protests Spread Nationwide, Over 400 Detained     |     
  • State Minister Amit urges global firms to join BD offshore bidding     |     

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করছে সরকার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-09-30, 3:15pm

img_20260930_151503-c582acb7f25785facb30ef67da72921f1790759743.jpg




কোনো জেলা বা উপজেলায় কোনো চাকরিপ্রার্থী জানে না তার এলাকায় কোন প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। বা প্রতিষ্ঠান জানে না কোন এলাকায় দক্ষতা কর্মী আছে। চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার এই দূরত্ব কমাতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে কয়েকটি নির্বাচিত জেলা ও উপজেলায় এর পরীক্ষামূলক (পাইলট) কার্যক্রম শুরু হবে। পাইলট কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য জেলা ও উপজেলায় এটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর কথা বলা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিল মাসে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্যোগটির বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব কামরুন নাহার বলেন, কার্যক্রম চলমান। প্রথম অবস্থায় আমরা পাইলট কার্যক্রম শুরু করব। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কয়েকটি উপজেলা কিংবা জেলা পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু হতে পারে। আমরা আশা করছি, পরবর্তী মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনের উপস্থিতিতে পাইলট কার্যক্রমের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।
সরকারের পরিকল্পনা হলো নির্বাচিত এলাকায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা নিয়ে পরে ধাপে ধাপে অন্য এলাকাগুলোকে এর আওতায় আনা।
এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মূল কাজ হবে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার তথ্য একটি ব্যবস্থার মধ্যে আনা। চাকরিপ্রার্থীরা তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার তথ্য নিবন্ধন করতে পারবেন। অন্যদিকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের শূন্য পদ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার তথ্য দিতে পারবে।
এরপর প্রার্থীর যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে পদের প্রয়োজনীয়তা মিলিয়ে উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে বের করার ব্যবস্থা থাকবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মী প্রয়োজন হলে স্থানীয়ভাবে নিবন্ধিত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্য থেকেও উপযুক্ত ব্যক্তিকে খোঁজার সুযোগ তৈরি হবে।
সরকারের বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, কোনো চাকরিপ্রার্থীর প্রয়োজনীয় দক্ষতার ঘাটতি থাকলে তাকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে। তবে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা প্রথম ধাপে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে শূন্য পদের তথ্য দেবে এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোন দপ্তর এটি সমন্বয় করবে—এসব বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি।
এ উদ্যোগের সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার তথ্য সংগ্রহের বিষয়টিও যুক্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে লেবার ডিমান্ড সার্ভিস সার্ভে নিয়ে কাজ করছে। এতে বিভিন্ন খাতে কী ধরনের কর্মীর চাহিদা রয়েছে, কী দক্ষতা প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের দক্ষতার চাহিদা বাড়তে পারে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ একজন চাকরিপ্রার্থী হয়তো কাজ খুঁজছেন, কিন্তু তার এলাকায় যে কাজটি আছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা তার নেই। আবার তার যে দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, সেই কাজ হয়তো অন্য জেলায়। এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এই তথ্যের অমিল কমানোর চেষ্টা করা হবে।