News update
  • Dhaka's air 5th worst in the world this morning     |     
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     

এক আইএমইআইতেই সক্রিয় ৩ কোটির বেশি ডিভাইস

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-01-03, 9:50am

erewrew-322868718536e24bf58e8e76d9e5ef021767412226.jpg




দেশে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর পর মোবাইল হ্যান্ডসেট সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে বর্তমানে লাখ লাখ ভুয়া ও ক্লোন আইএমইআই (আইএমইআই) নম্বরযুক্ত ফোন সচল রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

গতকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, একটি মাত্র আইএমইআই নম্বর-‘99999999999999’—ব্যবহার করে গত ১০ বছরে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি ভিন্ন ডিভাইস দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ‘440015202000’ আইএমইআই নম্বরে সাড়ে ১৯ লাখ এবং শুধুমাত্র ‘০’ (শূন্য) ডিজিটের আইএমইআই নম্বরে ৫ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি ডিভাইস সক্রিয় রয়েছে। এসব হ্যান্ডসেটের বড় অংশই নকল বা ক্লোন করা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব নিম্নমানের বা ক্লোন ফোন ব্যবহার করলেও সরকার এখনই হঠাৎ করে কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। জনজীবনে ভোগান্তি তৈরি হয়-এমন সিদ্ধান্ত এড়াতে এসব ডিভাইস আপাতত বন্ধ না করে ‘গ্রে লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করে ট্যাগ করা হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব ফোনের রেডিয়েশন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো পরীক্ষাই কখনো হয়নি, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ফেক ও ডুপ্লিকেট আইএমইআইয়ের কারণে দেশে ডিজিটাল জালিয়াতি ও অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বলেও জানান তিনি। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়, দেশে সংঘটিত ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি অনিবন্ধিত ডিভাইসের মাধ্যমে ঘটে। এছাড়া ২০২৩ সালে সংঘটিত ই-কেওয়াইসি জালিয়াতির ৮৫ শতাংশই ছিল অবৈধ বা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে। গত এক বছরে প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ মোবাইল ফোন চুরির রিপোর্ট হলেও আইএমইআই জটিলতার কারণে অধিকাংশ ফোন উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

বিশেষ সহকারী আরও জানান, স্মার্টফোনের পাশাপাশি আইওটি ডিভাইসেও একই ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সর একই ভুয়া আইএমইআই নম্বরে আমদানি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার বৈধভাবে আমদানি করা আইওটি ডিভাইসগুলোকে আলাদাভাবে ট্যাগ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘আন-অফিশিয়াল ফোন’ নামে দেশে নকল ফোনের যে নজিরবিহীন প্রতারণা চলছে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে এনইআইআর ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প নেই।