News update
  • 14 lakh Yaba pills seized in Teknaf; two detained     |     
  • UNGA can rebuild trust, good faith now missing from geopolitics: Guterres     |     
  • Parliament scraps controversial bank ownership provision     |     
  • Smokescreen in India over Ganga Treaty extension Alarming: Farakka Committee      |     
  • What 1.5°C Overshoot Means for Small Islands     |     

এক কোম্পানি থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-09-09, 11:52pm

img_20260909_235109-cd6c18d20549aadc1acf072d70a91e111788976362.jpg

দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনতে যাচ্ছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত



দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনতে যাচ্ছে সরকার। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে আগামী অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত এসব কার্গো আমদানি করা হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই ক্রয় প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রস্তাবটি কমিটির কাছে উপস্থাপন করে। অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই কার্গো করে এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ। চুক্তিতে প্রয়োজন হলে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার সুযোগ রাখার বিধানও থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রতি একক এলএনজির দর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জেকেএম মূল্যের সঙ্গে দশমিক শূন্য ছয় মার্কিন ডলার যোগ করে নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পাঁচটি প্যাকেজে ডিজেল, জেট এ-১ ও ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এসব প্যাকেজে মোট সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য প্রায় ১১ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।

তবে পাঁচটি প্যাকেজের কোনোটির ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত ক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। আলোচনা শেষে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।