News update
  • A New Arms Race is Threatening to Take-off—Now in Outer Space     |     
  • Equality ‘ends at doors of Security Council’, Kenya’s Ruto at UNGA     |     
  • কলাপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষায় হ-য-ব-র-ল      |     
  • BDRCS and IFRC scale up dengue response to reach 300,000 people     |     
  • World leaders approve new declaration to tackle rising sea levels     |     

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-03-04, 10:05pm

rwerewwtytyr-1be35f6876bf90ddbf7d9126ddd2e8671772640328.jpg




জনগণের সেবা নিশ্চিতকরণে এবং দাপ্তরিক কাজে দীর্ঘসূত্রতা নিরসনে সরকার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখন থেকে দেশের সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে নিজ নিজ অফিসে অবস্থান করতে হবে। 

বুধবার (৪ মার্চ) এমন নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সবার জন্য এবং সব সময় অফিসে প্রবেশ করে ৪০ মিনিট থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

তবে, কয়েকটি ক্ষেত্রে এ নির্দেশ শিথিলযোগ্য করা হয়েছে। পরিপত্র থেকে জানা যায়, কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে দাপ্তরিক বা ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে (যেমন : সেমিনার, কর্মশালা, সিম্পোজিয়াম প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যাংক, হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ে যাওয়া) ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এর ফলে তারা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন না।

এমতাবস্থায়, জনসেবা নিশ্চিত ও দাপ্তরিক কাজে গতি আনতে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবশ্যই নিজ অফিস কক্ষে থাকতে হবে।

দাপ্তরিক অন্যান্য কর্মসূচিও এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে উপরোল্লিখিত সময়টুকু বিঘ্নিত না হয়।

পরিপত্রে জানানো হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসা ও যাওয়া বাধ্যতামূলক।

যেসব ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল থাকবে

তবে কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। যেমন- শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও অনুষদ সদস্য যারা প্রশাসনিক দায়িত্বে নেই।

এ ছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদ মাধ্যম বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যারা রোস্টার ডিউটি করেন, তাদের ক্ষেত্রেও এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে না।

জরুরি গ্রাহকসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, ভিভিআইপি বা ভিআইপি প্রোটোকল প্রদান, আকস্মিক বড় দুর্ঘটনা মোকাবেলা, উন্নয়ন সহযোগী বা কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গে অতি গুরুত্বপূর্ণ সভা এবং অনুমোদিত সরকারি সফরের ক্ষেত্র ছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না।

দাপ্তরিক কাজ ছাড়া অফিস চলাকালীন অফিস ত্যাগ না করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, এই পরিপত্র অবিলম্বে কার্যকর হবে।