News update
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     
  • El Niño Tests Global Readiness for a Changing Climate     |     
  • Dhaka's air quality recorded moderate on Wednesday morning      |     

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়ল 'সিংহ মাছ'

মৎস 2026-07-13, 5:21pm

lion-fish-caught-in-the-bay-of-bengal-496770be189a02148982d6f0858e3b3b1783941665.jpg

Lion fish caught in the Bay of Bengal



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ 'সিংহ ফিস' (Lion fish)। লাল, সাদা ও মেরুন রঙের আড়াআড়ি ডোরা শরীর জুড়ে লম্বা লম্বা পাখনা ও বিষাক্ত কাঁটা। দেখতে খুব সুন্দর কিন্তু বিপদজনক। এই মাছটি স্থানীয়ভাবে ‘এরোপ্লেন মাছ’ নামেও পরিচিত।

রোববার (১২ জুলাই) শেষ বিকালে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মায়ের দোয়া ফিস’ আড়তে নিয়ে আসে জেলেরা। 

এর আগে শনিবার গভীর রাতে  সমুদ্রের ৭০ কিলোমিটার দুরে ‘এফবি জাবের’ নামের একটি ফিশিং ট্রলারের জেলের জালে ৭'শ ৫০ গ্রামের ওজনের এই সুন্দর  মাছ দুইটি ধরা পড়ে। মাছগুলো দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করে। 

ট্রলারের মাঝি মো. আসাদ বলেন, ‘গভীর রাতে জাল টানতে ছিলাম হঠাৎ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সঙ্গে এই দুইটি মাছ জালে আটকা পড়ে। আগে কখনো এমন মাছ দেখিনি। রঙিন মাছ দুইটি এরোপ্লেনের মতো দেখতে।'

মায়ের দোয়া ফিসের স্বত্বাধিকারী   মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, ‘এ ধরনের মাছ সাধারণত এই উপকূলীয় এলাকায় পাওয়া যায় না। মাছ দুইটি ক্রেতা ছগির আকনের কাছে পাঁচ হাজার টাকা কেজি দরে ৩ হাজার ৭'শ ৫০ টাকায় বিক্রি করেছি।'

ক্রেতা ছগির আকন বলেন, মাছ দুইটি দেখতে খুব সুন্দর আকর্ষণীয়। এজন্য আমি কিনে নিয়েছি। মাছটি সংরক্ষণ করে রাখবো। 

‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের (ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে পরিচালিত) গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ‘এই মাছ ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগর, লোহিত সাগর এবং আমাদের বঙ্গোপসাগরসহ বাংলাদেশের উপকূলে মাঝে মধ্যে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। এরা কোরাল রিফের আশেপাশে থাকে। এই মাছের পিঠের ১৮ কাঁটায় প্রচন্ড বিষ থাকে। খোঁচা লাগলে প্রচন্ড ব্যথা, ফুলে যাওয়া বমি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট হতে পারে।'  

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘আমাদের উপকূলে এই মাছ সচরাচর দেখা যায় না।  কাঁটা আর ভেতরের বিষাক্ত অংশ ফেলে দিলে মাংস খাওয়া যায়। আমেরিকা, ক্যারিবিয়ানে এটাকে "invasive species" হিসেবে ধরে খায়। এর মাংস সাদা ও সুস্বাদু। 

অ্যাকুরিয়ামের জন্য খুব দামি মাছ এটা। কিন্তু সমুদ্রে এরা অন্য ছোট মাছ খেয়ে ফেলে, তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।' - গোফরান পলাশ