
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী ফারাহা এমদাদ। কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার সম্মতি ছাড়াই পদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) তিনি এই ঘোষণা দেন।
শনিবার দুপুরে 'জাতীয় নারী শক্তি'র ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে ফারাহা এমদাদকে ‘সংগঠক’ পদে রাখা হয়। কিন্তু ফারাহার অভিযোগ, তাকে এই পদে অন্তর্ভুক্ত করার আগে কোনো ধরনের ‘সম্মতি’ নেওয়া হয়নি বা বিষয়টি ‘অবহিত’ করা হয়নি। অনুমতি ছাড়া কমিটিতে নাম আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শনিবার বিকেলে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পদত্যাগপত্র শেয়ার করে ফারাহা এমদাদ লেখেন, এনসিপির সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত। সবাই ভালো থাকবেন।
সন্ধ্যায় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ফারাহা এমদাদ তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের আর কোনো সাংগঠনিক দায়িত্বে তিনি থাকছেন না। এই পদত্যাগের ফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক সমন্বয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ফারাহা এমদাদ জানান, তার সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই তাকে নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা অনৈতিক। তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মাসুমুল বারী কাউছার বলেন, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অভিমান করে ফারাহা এমদাদ পদত্যাগ করেছেন। তাকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার নিজের।