News update
  • Govt pursuing zero tolerance against human trafficking, organised crime: Salahuddin     |     
  • PM Seeks Japan’s Help to Build Technology, Innovation Hubs     |     
  • Bangladesh Plans Bonded Warehouse Reforms to Diversify Exports     |     
  • Dhaka ranks 4th among world's most polluted cities this morning     |     
  • Lula re-elected Brazilian president in runoff     |     

প্রাথমিকে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক দ্রুত নিয়োগ করা হবে : ববি হাজ্জাজ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক শিক্ষকতা 2026-10-26, 11:10pm

bbi_haajjaaj-779351c3380cc475ce9cb48f8f2ff4881793034656.jpg

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সোমবার পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। ছবি : বাসস



দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে তিনি জানান।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ববি হাজ্জাজ এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধান শিক্ষক পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগের বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্ব আরও কার্যকর হবে।

পাশাপাশি, দায়িত্ব পালনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে তৈরি হবে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে লার্নিং টয়েস (শিখন উপকরণ) বিতরণ করেন এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শিখনদক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতা (ফাউন্ডেশনাল লিটারেসি অ্যান্ড নিউমারেসি : এফএলএন) যাচাই করেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, লার্নিং টয়েস ব্যবহার করে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন ধারণা ও বিষয় সহজে বুঝতে পারছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো-কোনো বিষয় বোঝাতে সময় লাগলেও খেলনা ও হাতে-কলমে শেখার উপকরণের মাধ্যমে শিশুরা তুলনামূলক সহজে তা অনুধাবন করতে পারে, যা শেখার আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।

বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিখনদক্ষতার ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠার ওপর জোর দেন ববি হাজ্জাজ।

পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।