News update
  • Advisory Council Approves Dhaka Central University Ordinance     |     
  • Election Campaigns Begin Ahead of February 12 Polls     |     
  • Illegal topsoil extraction threatens ‘Gaillar Haor’, croplands in Sunamganj     |     
  • Nation's future hinges on ‘Yes’ vote in referendum: Land Adviser     |     
  • US doesn't take sides in Bangladesh elections: Ambassador Christensen     |     

এবারের নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১, শতকোটির মালিক ২৭

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংগঠন সংবাদ 2026-01-22, 5:28pm

img_20260122_172555-d42fd45e59f3ff85bd5862aba181bd551769081284.jpg




আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রায় ২ হাজার প্রার্থী অংশ নিতে যাচ্ছেন এবারের নির্বাচনে। হলফনামায় বর্ণিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে এদের মধ্যে কোটিপতি প্রার্থী আছেন ৮৯১ জন। আর তাদের মধ্যে শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক ২৭ জন প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রার্থীদের ইশতেহার নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংস্থার কমিউনিকেশন ও আউটরিচ বিভাগের পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে প্রার্থীদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টিআইবি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯.৪১ শতাংশ প্রার্থীই ঋণগ্রস্ত, যা দলীয় ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ।

টিআইবির তথ্যে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১৯৮১ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ১৭৩২ জন দলীয় প্রার্থী এবং ২৪৯ জন স্বতন্ত্র। প্রার্থীদের মোট ২৫.৫ শতাংশের ঋণ বা দায় রয়েছে। তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৮৮৬৮.৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে ব্যাংক ঋণ মাত্রা ১৭৪৭১.৬৭ কোটি টাকা।

টিআইবি জানায়, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯.৪১ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত, যা সর্বোচ্চ। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঋণগ্রস্তের হার ৩২.৭৯ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মধ্যে ২৬.৯৭ শতাংশ ঋণগ্রস্ত।

প্রতিবারের মতো এবারও নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা মাত্রা ৫ শতাংশ পূরণ করতে পারেনি। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি ব্যবসায় জড়িত, আইন ও শিক্ষক পেশার হিসেবে যথাক্রমে ১২.৬১ এবং ১১.৫৬ শতাংশ। রাজনীতিক পেশা হিসেবে মাত্র ১.৫৬ শতাংশ প্রার্থী নিজেকে দেখিয়েছেন।

নির্বাচনি খরচের দিকেও নজর দিলে দেখা যায়, সকল দলের প্রার্থীদের ঘোষিত সর্বমোট ব্যয় ৪৬৩.৭ কোটি টাকা। প্রতি প্রার্থীর গড় ব্যয় প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যয় করেছে বিএনপি (১১৯.৫ কোটি) এবং দ্বিতীয় অবস্থানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (৮০.৬ কোটি)।

টিআইবির প্রতিবেদন অনুসারে, ২৫৯ প্রার্থীর তুলনায় ১১৮ প্রার্থীর স্বামী-স্ত্রী বা নির্ভরশীলের অস্থাবর সম্পদ বেশি, ১১৮ প্রার্থীর তুলনায় দালান বা ফ্ল্যাট বেশি এবং ১৬৪ প্রার্থীর তুলনায় জমির পরিমাণ বেশি।

এ ছাড়া, প্রার্থীদের মধ্যে ৫৩০ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা চলমান, যা মোট প্রার্থীর ২২.৬৬ শতাংশ। অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে, যা ৩১.৬৪ শতাংশ।