News update
  • Dhaka for fair global financial architecture, sustainable LDC graduation     |     
  • Dhaka’s air quality raises health concerns for vulnerable groups     |     
  • Monira Sharmin’s MP candidacy cancelled, 49 other women valid     |     
  • No scope for money launderers to return to bank boards: BB     |     
  • Six closed jute mills to reopen under pvt management in 6 months     |     

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘গভীর অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-04-11, 11:41am

rtyertwerwerw-3aa649f46c7c2a1d71c536168e611af61775886070.jpg

ছবি : এএফপি



ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আগে তেহরানের পক্ষ থেকে গভীর সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। পাকিস্তান এই আলোচনাকে ‘হয় বাঁচো, নয় মরো’ পরিস্থিতি হিসেবে দেখলেও, সাধারণ ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জোহরে খারাজমি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

অধ্যাপক খারাজমি বলেন, ‘ইরানিরা এই আলোচনা নিয়ে মোটেও আশাবাদী নয়, কারণ তারা মনে করে না যে যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের মিত্ররা নির্ভরযোগ্য।’ তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ওয়াশিংটন আলোচনাকে তাদের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ঢাকার ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের আগের মেয়াদে সমঝোতায় এসেও পরে তা বাতিল করার উদাহরণ টেনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অসংলগ্ন আচরণের সমালোচনা করেন।

ইরানিরা বিশ্বাস করে, এবারের আলোচনায় তারাই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

বিশ্লেষকের মতে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা সংকটের কারণে বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ চাপের মুখে রয়েছেন। এছাড়া লেবাননে যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রসঙ্গে তিনি পরিষ্কার জানান, ইসরায়েলকে থামানোর দায়িত্ব সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের। কারণ ইসরায়েল সব সময় শান্তির সুযোগ নষ্ট করতে চায়।

আলোচনায় ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।

ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণ আদায়।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে শুল্ক বা টোল আরোপ।

খারাজমি এই দাবিগুলোকে ‘যৌক্তিক ও সুপরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা গেলে ইরানের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। এটি ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত করবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর (গ্লোবাল সাউথ) অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে সাহায্য করবে।