News update
  • $7.3 Trillion Fuels Nature Destruction, Guterres Warns     |     
  • Infantino apologizes for World Cup furore but critics unhappy     |     
  • Teesta irrigation project: Water in canals inadequate to enter fields     |     
  • Biodiversity Targets Lag as UN Warns of a War on Nature     |     
  • 18 railway coaches made in India set to arrive this afternoon     |     

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানেই থাকবে, কড়া বার্তা মোজতবা খামেনির

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-21, 10:55pm

zxdxfdsfa-b216699d490647ac90ca14e4892a025f1779382542.jpg




ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশেই থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ইরানের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের শান্তি আলোচনায় অন্যতম বিরোধ ইস্যু দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে হস্তান্তর। ইউরেনিয়াম দেশে রাখা নিয়ে এই অবস্থানের মধ্য দিয়ে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ করে আসছে। তারা বলছে, তেহরান ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। 

সম্প্রতি ইসরাইলেল প্রধানমন্ত্রী বেনিমিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশটি থেকে সরিয়ে নেয়া, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত  যুদ্ধ চলবে।

একটি সূত্র বলছে, ‘সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঐকমত্য হলো—সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।’

সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করেন, এই উপাদান বিদেশে পাঠানো হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব খামেনির হাতেই রয়েছে। 

এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউস ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধে কূটনৈতিক চ্যানেলে চলছে দরকষাকষি। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানের কাছে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই নতুন খসড়া প্রস্তাব পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি গণমাধ্যম। এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে একটি ১৪ দফার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

ওয়াশিংটনের খসড়া প্রস্তাব ও হুমকির মুখে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, যুদ্ধ এড়াতে ইরান সবসময় সব পথ খোলা রেখেছে, তবে বলপ্রয়োগ করে ইরানকে আত্মসমর্পণ করানো যাবে না।