News update
  • Over 1.6 Million Pilgrims Gather at Sacred Arafat     |     
  • Mayoral candidates' Eid greetings to Kalapara residents on social media      |     
  • Dhaka moves for new $4-4.5 bn IMF programs, drops current one     |     
  • Up to 13 million set to leave Dhaka for Eid despite rainy weather     |     
  • ATM Cash Shortage Hits Dhaka Customers During Eid Break     |     

শান্তি আলোচনার জন্য কাতারে ইরানি কর্মকর্তারা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-26, 8:09am

kaataar_shaanti_aalocnaa_thaamb-1-dbf2b358c529cac6baa6d4d1c901b7d31779761358.jpg




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি এবং অবরুদ্ধ অর্থসহ তহবিল মুক্তির বিষয়ে আলোচনার জন্য ইরানের প্রধান আলোচক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানসহ ইরানের একটি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সোমবার (২৫ মে) কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানে এমন একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপি-কে এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রটি জানিয়েছে, চলমান সংঘাত অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আজ সোমবার ভোরের দিকে দোহায় পৌঁছেছেন।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এই সফরের মূল ফোকাস বা মনোযোগ থাকবে হরমুজ প্রণালি এবং উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ওপর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও এই প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে এসেছেন অবরুদ্ধ তহবিলের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে, যা চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ রয়েছে।

ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এই সফরটি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তাসনিম এবং ফার্স নিউজ এজেন্সিসহ ইরানের অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই প্রতিনিধি দলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুলনাসের হেম্মাতিও রয়েছেন।

ফার্স নিউজের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে বিদেশে অবরুদ্ধ থাকা তেহরানের তহবিলের একটি অংশ ছেড়ে দিতে এবং ইরানি বন্দরগুলোতে আসা-যাওয়া করা জাহাজের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ তুলে নিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।

এর আগে ২০২৩ সালে, ইরানে আটক পাঁচ মার্কিন নাগরিকের মুক্তির শর্তে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে অবরুদ্ধ থাকা ছয় বিলিয়ন ডলারের ইরানি তহবিল কাতারে এনে রাখা হয়েছিল। তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় সেই তহবিল আর কখনো মুক্ত করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে এই শান্তি আলোচনায় এখন পর্যন্ত প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান। গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে চলমান এই আলোচনার লক্ষ্য হলো ব্যাপক পরিসরে যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে পুনরায় উন্মুক্ত করা।

অতীতে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংকটের মধ্যস্থতাকারী কাতার সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আলোচনাকে এগিয়ে নিতে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে কাতারের সনেতা শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি কূটনীতিকে এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে বৈঠক করেছিলেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রে শুরু হওয়া মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে উপর্যুপরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এছাড়া বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয় যে পথে সেই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধের কারণে জ্বালানি-সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রপ্তানি কার্যক্রম প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে কাতারের এলএনজি রপ্তানিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এ কারণে তাদের অর্থনীতিও মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে।