News update
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     
  • Air Force officer Saifur sent to jail over Ilias Ali disappearance     |     
  • Cultivation of Black Baby watermelons on a rooftop in Kalapara     |     
  • Low pressure area on Bay; Maritime ports to hoist cautionary signal 3     |     

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা ইরানের, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-07-17, 7:44pm

img_20260717_194400-a42d6c646f6fd1ae8b92db386d0c1f891784295860.jpg




কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আল উদেদে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এতে ঘাঁটির সামরিক অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা করা হচ্ছে। 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। 

আইআরজিসি জানিয়েছে, দুই পক্ষের চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এটি ছিল তাদের ১৫তম দফার বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা। এই হামলায় মার্কিন বিমান ঘাঁটির একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার রাডার সিস্টেম এবং বেশ কয়েকটি কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে তেহরান।

বিবৃতিতে ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যেসব আঞ্চলিক দেশ তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে তারা যদি সীমারেখা অতিক্রম করে তবে তার ফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। বিশেষ করে সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক স্থাপনায় যদি কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে এর জন্য চরম খেসারত দিতে হবে। 

তেহরান আরও জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক তৎপরতা অনতিবিলম্বে বন্ধ না হলে তারা আরও কঠোর ও ধ্বংসাত্মক পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। ইরানের সামরিক কর্তাদের দাবি, তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ এমন হবে যা ইতিহাসের পাতায় দীর্ঘকাল লেখা থাকবে।

কাতারের রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ইরানের এই দাবির বিষয়ে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে কাতার জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী আকাশপথে আসা হামলা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও আকাশেই ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার পর সেটির খণ্ডবিচ্ছিন্নাংশ মাটিতে এসে পড়লে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি স্থানীয় শিশু আহত হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, শুক্রবারের এই এক দফার সমন্বিত ও প্রতিশোধমূলক হামলায় ইরান শুধু কাতার নয়, বরং কুয়েত, ওমান, সিরিয়া, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সম্পদকেও লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে। আইআরজিসির সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব দেশে মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক বিমান ঘাঁটি, রাডার সিস্টেম ও বড় বড় অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে একযোগে হামলা চালানো হয়েছে, যাতে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকেই পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনার মাধ্যমে একটি ভঙ্গুর সমঝোতা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও উত্তেজনা শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আবারও মারাত্মক ও যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে।