News update
  • BDR name will be restored, army won't be used for politics: Tarique     |     
  • Hili land port highway upgrade delayed again, cost Tk 588cr up     |     
  • Tarique vows quick execution of Teesta Master Plan if elected     |     
  • How Undecided voters May Decide the Election     |     
  • Nearly one million security personnel to guard BD elections     |     

গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও উত্তেজনা বাড়ালেন ট্রাম্প

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-10, 10:15am

49644d1f6b7fe16b525a12d19ee2f1d29383f42108942ee2-f81125cf0512ff186ff06f5beadc6b171768018542.jpg




গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের মালিক হতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। প্রয়োজনে সহজ পথে অথবা কঠিন পথ বেছে নেওয়ার কথাও বলেন ট্রাম্প। তার এই বক্তব্যকে সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে ডেনমার্ক ও ইউরোপের মিত্ররা।

ভেনেজুয়েলায় হামলা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অপটহরণের পর এবার গ্রিনল্যান্ড দখলে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

স্থানীয় সময় শুক্রবার (জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি বলেন, রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ড নিজেদের মালিকানায় নিতে হবে। প্রয়োজনে সহজ পথে বা কঠিন পথে এগোনোর কথাও বলেন তিনি, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত এই ভূখণ্ড কিনে নেওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনায় রয়েছে। একইসঙ্গে জোরপূর্বক দখলের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্ট করে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। দেশটির সরকার সতর্ক করেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে ন্যাটো জোটের ঐক্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে।

বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও, উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ও আর্কটিক অঞ্চলে নৌ চলাচল নজরদারিতে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এরই মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে।

তবে ট্রাম্পের দাবি, বিদ্যমান নিরাপত্তা চুক্তি যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, ৯ বছর বা ১০০ বছরের চুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না—মালিকানা থাকতে হয়। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রিনল্যান্ড রুশ ও চীনা জাহাজে ভরে গেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের প্রধান দেশগুলো ও কানাডা। এক যৌথ অবস্থানে তারা জানায়, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের। আর্কটিক নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানালেও, তারা একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তের অখণ্ডতার নীতির ওপর জোর দিয়েছে।