News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে’, খামেনিকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-18, 12:04pm

768678-7cbec6d456d0ac920a6b8bfd483236ed1768716293.jpg




ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ৩৭ বছরের শাসনের অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে’।

সরকারবিরোধী কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে খামেনির একাধিক এক্স পোস্ট পড়ে শোনানো হয়, যেখানে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’

ট্রাম্প আরও বলেন,দমন-পীড়ন ও সহিংসতার ওপর নির্ভর করে ইরানি শাসকরা টিকে আছে। একটি দেশের নেতা হিসেবে তিনি (খামেনি) যে অপরাধ করেছেন, তা হলো পুরো দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া এবং আগে কখনো না দেখা মাত্রায় সহিংসতা ব্যবহার করা। দেশ পরিচালনার দিকে মনোযোগ দেয়ার বদলে তিনি ক্ষমতায় টিকে থাকতে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করছেন।

খামেনিকে ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘লোকটি অসুস্থ মানুষ, তার উচিত নিজের দেশটা ঠিকভাবে চালানো এবং মানুষ হত্যা বন্ধ করা। তার নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই তার দেশ পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ স্থান।’

এদিকে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের আগে তার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।তিনি বলেন, বিক্ষোভ চলাকালীন ইরানি জনগণের ওপর হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং অপবাদ আরোপের জন্য ট্রাম্পকে ক্রিমিনাল মনে করে তেহরান।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইরানি সংবাদমাধ্যম খামেনির উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘ইরান-বিরোধী সর্বশেষ বিক্ষোভটি  ভিন্ন ছিল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে এতে জড়িত হয়েছিলেন।

খামেনি বলেন, ‘বিদেশি-সম্পর্কিত ব্যক্তিরা ব্যাপক রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী। তিনি বলেন, ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। যা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে।’