News update
  • Campaign Opens as Tarique Starts in Sylhet, Jamaat Heads North     |     
  • BNP Expels 59 More Rebels for Defying Election Line     |     
  • Govt Plans to Keep Two State Banks, Merge Remaining Ones     |     
  • Lab Tests Find 67% Adulteration in Branded Milk Powder     |     
  • DNCC Sets New House Rent Rules, Eases Burden for Tenants     |     

গ্রিনল্যান্ড দখলে বল প্রয়োগ করব না, তবে মালিকানা চাই : ট্রাম্প

সংঘাত 2026-01-21, 11:19pm

dfgrteryert-cb1975c5abe5fbb6555a48b2e5e992481769015953.jpg

বুধবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : এএফপি



 গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলা উত্তেজনার মধ্যে এক নাটকীয় মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ডেনমার্কের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি দখলে নিতে কোনো সামরিক শক্তি বা বল প্রয়োগ করবেন না। তবে বৈশ্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এই দ্বীপের ‘মালিকানা’ বা ‘স্বত্ব’ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই থাকা উচিত।

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি যদি অতিরিক্ত শক্তি ও বল প্রয়োগের সিদ্ধান্ত না নিই, তাহলে সম্ভবত আমরা কিছুই পাব না। সত্যি বলতে, বল প্রয়োগের চেষ্টা করলে আমরা হতাম ‘অপ্রতিরোধ্য’। কিন্তু আমি তা করব না। এখন সবাই বলছে— ওহ ভালো। এটি সম্ভবত আমার দেওয়া এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় স্টেটমেন্ট। কারণ অনেকেই ভেবেছিল আমি হয়তো শক্তি প্রয়োগ করব। আমি শক্তি প্রয়োগ করতে চাই না, আমাকে শক্তি প্রয়োগ করতেও হবে না এবং আমি তা করব না।’

বল প্রয়োগ না করার ঘোষণা দিলেও গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিয়ে নিজের দাবিতে অটল রয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘কারা এক টুকরো বরফের লিজ বা লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট রক্ষা করতে চায়? বিশ্ব সুরক্ষার জন্য আমাদের মালিকানা প্রয়োজন। আপনারা চাইলে ‘হ্যাঁ’ বলতে পারেন, সেক্ষেত্রে আমরা আপনাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ থাকব। আর যদি আপনারা ‘না’ বলেন, তবে আমরা সেটি মনে রাখব।’ তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘উত্তর আমেরিকার অংশ’ হিসেবে দাবি করে বলেন, এটি মূলত আমেরিকারই অঞ্চল।

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুকে কেন্দ্র করে ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। ট্রাম্প এর আগে হুমকি দিয়েছেন, ডেনমার্ক ও তার মিত্ররা যদি গ্রিনল্যান্ড হস্তান্তরে রাজি না হয়, তবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আটটি ইউরোপীয় দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

দাভোসে ট্রাম্পের এই ভাষণের সময় ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প ন্যাটোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক দশক ধরে ইউরোপকে রক্ষা করে এলেও বিপদের সময় ন্যাটো কতটুকু পাশে দাঁড়াবে, তা নিয়ে তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এর আগে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র আক্রান্ত হলে ইউরোপ অবশ্যই এগিয়ে আসবে।