News update
  • People positive on Padma Barrage, experts urge caution over fallout     |     
  • Parties convey their expectations at Bonn climate talks     |     
  • ECNEC Approves 8 Projects Worth Tk 2,266 Crore     |     
  • No Plan to Drop Bangla, History from Honours: Milon     |     
  • Global turmoil shadows Bonn climate talks     |     

তিন দেশে ইরানের নতুন হামলা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-03-07, 11:25pm

rewrewrewrw-61085255cade71ddad5236c55012489d1772904313.jpg




ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে ক্রমশ। এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এই যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না; বরং হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে দুই পক্ষই। এরই মধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান। আর নতুন দফায় এসে প্রথমবারের মতো ঘোষণা দিয়ে হাইপারসনিক মিসাইলও ব্যবহার করেছে ইরান। 

দেশগুলোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ইরানের বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় চালানো হামলায় ২২০ জন মার্কিন সেনা ও কমান্ডার নিহত বা আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে ইরান। খবর প্রেস টিভির।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) আওতাধীন খতম আল-আনবিয়ার সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তার দাবি অনুযায়ী, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা এয়ার বেসে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় প্রায় ২০০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

সৌদি আরবের আল-খার্জে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সেইসঙ্গে পারস্য উপসাগরের উত্তরাংশে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি তেলবাহী জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন আইআরজিসির এ কর্মকর্তা।

তবে, এসব দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম আঘাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারকে হত্যা করে তারা। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও।

আটদিন ধরে চলমান এই হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। এরই মধ্যে ইরানের ওপর ভয়ংকর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (৭ মার্চ) রাতেই ইরানের নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা হবে বলে ঘোষণা করেছেন তিনি।

আর মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির পর হামলা চালানোর জন্য নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে ইরানও। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ইরানের শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিস্তৃতি এবং সরাসরি তাদের হত্যা করার হুমকি দিয়েছে। এ কারণে ইরান এখন আমেরিকান অঞ্চল, বাহিনী এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। যেগুলো এখনও ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করে হামলা চালানো হবে।

সেইসঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামনে কখনই আত্মসমর্পণ করবে না ইরান।