
বর্তমান সময়ে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা একই সঙ্গে চাইলে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। আর এরজন্য আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত যোগাসন করতে হবে। কারণ ইয়োগা বা যোগাসন শারীরিক ও মানসিক অবসাদ কাটিয়ে তুলতে কার্যকরী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিদ্রা দূর করার পাশাপাশি একাধিক উপকারিতা মেলে নিয়মিত যোগাসন অনুশীলনে।
যোগাসনের অর্থ হলো শরীরের সমস্ত অংশকে প্রকৃতির সঙ্গে আত্মস্থ করা। এর ফলে শরীরের চালনা ও উৎফুল্লতা বজায় থাকে। নিয়মিত এ অভ্যাসে প্রাকৃতিক উপায়ে শারীরিক গঠন সুগঠিত হয় এবং শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরতে সাহায্য করে। বিভিন্ন রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যস্ত জীবনে অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আর এ সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে একটি যোগাসন। আর সেটি হলো বজ্রাসন। শুধু অনিদ্রাই নয়, নিয়মিত এ যোগাসন অনুশীলনে একাধিক উপকারিতা রয়েছে।
বজ্রাসন
বজ্রাসন হলো মেডিটেশন বা যোগব্যায়ামের একটি বিশেষ ধরন, যেটি একটি বিশেষ ভঙ্গিতে বসার মাধ্যমে করা হয়। বজ্রাসন যোগব্যায়ামের সবচেয়ে সহজ আসন। অন্য ব্যায়ামগুলো ভরপেটে নিষিদ্ধ হলেও বজ্রাসনের সেই নিষেধাজ্ঞাটা নেই। সহজ ব্যায়াম হলেও এর উপকারিতা অনেক বেশি। তাই বজ্রাসনকে বলা হয় উত্তম ব্যায়াম।
বজ্রাসনের উপকারিতা
নিয়মিত ব্রজাসন অনুশীলন করলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায় সেগুলো হলো-
১। পায়ের গঠন সুন্দর হয়।
২। মেরুদণ্ড সোজা থাকে।
৩। চুল পড়া বন্ধ হয়।
৪। হজম শক্তি বাড়ে ও পেটের গোলযোগ কমে।
৫। সায়াটিকা রোগ থেকে মুক্তি মেলে।
৬। শরীরের পেশীগুলো শক্তিশালী হয়।
৭। আথ্রাইটিস, কোমর-কাঁধের ও হাঁটুর ব্যথা দূর হয়।
৮। অনিদ্রা দূর হয়।
৯। পায়ের পাতা খিল ধরার সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।
১০। পাইলস রোগ ভালো হয়।
যেভাবে অনুশীলন করবেন
সামনের দিকে পা ছড়িয়ে মাথা সোজা করে বসুন। এরপর আস্তে আস্তে হাঁটু মুড়ে গোড়ালি জোড়া করে বসুন। উরুর ওপর সোজা করে হাত দু’টি রাখুন। স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। ২০ সেকেন্ড পর আস্তে আস্তে পুরনো ভঙ্গিতে ফিরে যান।