News update
  • Japan views Bangladesh as key dev partner: Jamaat Ameer     |     
  • Credit cards emerge as a financial lifeline for middle-class     |     
  • Call for a radical shift to solar, LNG to overcome energy crisis     |     
  • Measles Death Toll in Children Surpasses 350     |     
  • Global Eid on Same Day ‘Not Practical’: Mufti Malek     |     

কলাপাড়ায় এখনও কেরোসিন বাতিই ভরসা শত শত পরিবারের

Energy 2026-03-30, 12:33am

a-rural-home-in-kalapara-2a9bdb17b92ec4890cefb5b8f539c0681774809213.jpg

A rural home in Kalapara.



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাকে কাগজে-কলমে শতভাগ বিদ্যুৎ সম্বলিত উপজেলা ঘোষণা করা হলেও এখনও কেরোসিন বাতিই ভরসা একাধিক গ্রামের শত শত পরিবারের।  কাগজ-কলমে ২০০১ সালে শতভাগ বিদ্যুৎ সম্বলিত উপজেলা দেখানো হলেও বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। দৃশ্যত গত ৪ বছর যাবৎ উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম মধুখালী, উত্তর চরপাড়া ও ইসলামপুর গ্রামের অধিকাংশ পরিবার পয়সা খরচ করেও বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে। দীর্ঘ বছর পরও এ গ্রামগুলো বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, ভূক্তভোগী পরিবারের অনেকেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিস ও ঠিকাদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে লাগাতার ধর্না দিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি। ফলে গ্রামবাসী এখন হতাশ। তাদের মতে, আশ্বাস দিয়েছেন অনেকেই কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কথা রাখেনি।  

অপরদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা বলে ঠিকাদারী পক্ষের লোকজন অনেকের কাছ থেকে টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবুও বিদ্যুতের অভাবে ঘর আলোকিত না হওয়ায় ভূক্তভোগী এসব পরিবারের সন্তানদের আজও লেখাপড়া করতে হচ্ছে কেরোসিন বাতির আলোয় ।

পশ্চিম মধুখালী গ্রামের আবু ইউসুফ আকন জানান, তাঁদের বাড়িসহ আশপাশের অন্তত: দশটি পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছে। তাঁদের মধ্যে একাধিক লোকের কাছ থেকে এক হাজার করে টাকা নিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো ঠিকাদাররা। তিনটি খুঁটি বসানো হলেও সংযোগ তো দূরের কথা তার টানা হয়নি এখনও। 

আরামগঞ্জ মাদ্রাসার স্কুল শিক্ষার্থী মো. সিয়াম জানান,  এখনও কেরোসিনের ল্যাম্প ও হ্যারিকেন জ্বালিয়ে পড়তে হয় তাদের । এতে রাত হলেই বারে ভোগান্তি। অনেক পরিবারের সোলার রয়েছে কিন্তু তাতেও  সংকুলান হয় না।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল বলেন, এই তিন গ্রামের শতাধিক পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বহুবার তাগিদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে কোন ফল হয়নি।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম জয় প্রকাশ নন্দী বলেন, এসব পরিবার ছাড়াও আরও পাঁচটি গ্রামের আংশিক কিছু পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। এক্ষেত্রে নতুন প্রায় ১৮ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করতে হবে। বিষয়টি সময় সাপেক্ষ হলেও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ জানান, এই তিন গ্রামের মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার জন্য উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের সভায় লিখিত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অবহিত করা হয়েছে। - গোফরান পলাশ