News update
  • Bidisha Siddique Arrested in Fraud Case     |     
  • As wars spread, the global food system unravels     |     
  • Holy Eid-e-Miladunnabi Wednesday     |     
  • EU sees Bangladesh as partner of growing strategic importance: Miller     |     
  • Journalism’s main task is to question power: Swapon     |     

বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে মৎস্য ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

Fishery 2026-07-18, 11:22pm

fishermen-staged-a-human-chain-in-kalapara-on-saturday-and-demanded-stopping-of-illegal-trawling-in-the-bay-1b6752ea1f0ca508422b154de902a83f1784395379.jpg

Fishermen staged a human chain in Kalapara on Saturday and demanded stopping of illegal trawling in the Bay.



পটুয়াখালী:  বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং, বটম ট্রলিং এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধের দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আশাখালী মৎস্য বন্দরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আশাখালী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মাইনুদ্দীন দালাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম রেজা, মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাদা হাওলাদার, মো. মর্তুজা আহমেদ, জেলে সোহাগ গাজী এবং মো. সাইদুলসহ স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু চক্র বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং পরিচালনা করছে। পাশাপাশি বটম ট্রলিং, বেহুন্দি জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো জেলে পরিবার জীবিকা সংকটে পড়েছে।

তাদের দাবি, অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘সামুদ্রিক মৎস্য আইনের তফসিলে এটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অধিভুক্ত না হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে যাচ্ছেনা। এমনকি জাল, ট্রলার আটক করে মামলা দেয়া ছাড়া ধ্বংস করা যাচ্ছেনা। মামলা দেয়ার পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়িয়ে নিচ্ছে জাল, ট্রলার। মৎস্য বিভাগের নৌযান না থাকায় সমুদ্রে ঠিকমতো নজরদারি করা যাচ্ছে না।'

অপু সাহা আরও বলেন, ট্রলিং ব্যবসায়ীরা উচ্চ আদালত থেকে একটি আদেশ এনেছেন। যাতে আগামী ছয় মাস ট্রলিং এর সাথে জড়িত কাউকে আমরা কোন ধরনের আটক তো দূরের কথা, হয়রানিও করতে পারবোনা। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবো।’ - গোফরান পলাশ