News update
  • Saint Martin’s Island to Reopen for Tourists on Nov 1     |     
  • France Arrests More Than 1,300 After Nationwide Protests     |     
  • Dhaka ranks world's third most polluted city this morning     |     
  • Soldiers Guard Milan as Thousands Protest Across Europe     |     
  • Cheese Industry Thrives In Thakurgaon Villages      |     

কুয়াকাটায় হোটেলে আটকে নির্যাতনের শিকার সাব্বিরের অবস্থা সংকটাপন্ন

Human rights 2026-02-15, 11:26pm

sabbir-who-was-allegedly-tortured-in-a-kuakata-hotel-ebf29fe7e56329515b9ce29a888d7aeb1771176417.jpg

Sabbir who was allegedly tortured in a Kuakata hotel.



পটুয়াখালী: কুয়াকাটায় মোটরসাইকেল চালক সাব্বির (২২) কে আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতনের ঘটনার এক মাসেও অবস্থার উন্নতি হয়নি তার। গ্রামের মানুষের আর্থিক সহায়তায় কিছুদিন বরিশিল, ঢাকায় চিকিৎসা চললেও তার অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন। অর্থ সংকটে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাব্বির। এ নির্যাতনের ঘটনায় কুয়াকাটার যুবদল নেতা মো. রাসেল হাওলাদার সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মহিপুর থানায় অভিযোগ দিয়েও অদ্যবধি আইনি প্রতিকার পায়নি পরিবারটি, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। 

 নির্যাতনের শিকার সাব্বিরের মা মোসা. পারভীন বেগম (৫৫) জানান, তার ছেলে সাব্বির হাওলাদার (২২) মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ফেরার পথে কুয়াকাটাল যুবদল নেতা মো. রাসেল হাওলাদার (২৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলসহ কুয়াকাটার কুটুমবাড়ি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে এলোপাথারি মারধর করা হয় বলে অভিযোগ তার। পরে সাব্বির মোবাইলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, তাকে ছাড়িয়ে নিতে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে আইনি সহায়তা নিতে গেলে অভিযুক্তরা ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় পারভীন বেগম মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার এক মাসেও মামলা রেকর্ড করেনি থানা পুলিশ, এমনই অভিযোগ তার।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. রাসেল হাওলাদার জানান, কুয়াকাটার একটি আড়ত থেকে মাছ দেয়ার জন্য দাদন টাকা নিয়ে সাব্বির আড়তে মাছ না দেয়ায়, আড়ত সংশ্লিষ্টরা তাকে কয়েকটি চড় থাপ্পর মারে। এ ঘটনায় তাকে জামিনদার বানিয়ে সাব্বির টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করেও টাকা পরিশোধ করেনি। 

এ ছাড়া এই ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। 

চিকিৎসার জন্য বরং তিনি মানুষের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে তার পরিবারকে দিয়েছেন। 

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, এরকম একটি ঘটনা শুনেছিলাম, তবে সেটা বেশ কয়েক দিন আগের। তখন খোঁজ-খবর নিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে জানলাম তাদের মামলায় আগ্রহ নেই, চিকিৎসা খরচের জন্য কিছু টাকা উঠিয়ে দিতে বলেছিল আমার অফিসারকে।

ওসি মহব্বত আরও বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে বেশ ব্যস্ত ছিলাম। এখন এ বিষয়টি দেখবো। তবে তাদের পরিবার থেকে থানায় কোন লিখিত মামলার অভিযোগ দেয়া হয়নি। - গোফরান পলাশ