News update
  • Govt pursuing zero tolerance against human trafficking, organised crime: Salahuddin     |     
  • PM Seeks Japan’s Help to Build Technology, Innovation Hubs     |     
  • Bangladesh Plans Bonded Warehouse Reforms to Diversify Exports     |     
  • Dhaka ranks 4th among world's most polluted cities this morning     |     
  • Lula re-elected Brazilian president in runoff     |     

জাপানের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ‘নতুন সম্ভাবনা’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক অর্থনীতি 2026-10-26, 12:43pm

img_20261026_124131-422f40fb25b685ba9a2d23998f41f0df1792997019.jpg




জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশটিতে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এ সময় দেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানিতে জাপানের অংশ বেড়ে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলারের। এর মধ্যে জাপানের বাজারে রপ্তানি হয়েছে ৩৪৩ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলারের পোশাক। সাম্প্রতিক এ চিত্র বিশ্বের অন্যতম বড় পোশাক আমদানি বাজার জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। দেশটির বড় আমদানি বাজার এবং সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানিতে জাপানের অংশ বৃদ্ধি এ সম্ভাবনাকে আরও স্পষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাজার বৈচিত্র্য বাড়বে এবং প্রচলিত বাজারগুলোর ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

গত কয়েক বছরে জাপানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ওঠানামা দেখা গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশটিতে ১১৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১০৯ কোটি ডলারে নেমে আসে। পরের অর্থবছরে রপ্তানি ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১১৯ কোটি ডলারে পৌঁছায়। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আবার ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১১৩ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানিও কমেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতের রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। ফলে মোট তৈরি পোশাক রপ্তানিতে জাপানের অংশ কমে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে আসে। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে জাপানের অংশ বেড়ে যাওয়া দেশটির বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জাপানের পোশাক আমদানির পরিসংখ্যানেও বাজারটির ব্যাপকতা স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের (আইটিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত জাপান ২ হাজার ৪৯৬ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করে। পরের ১২ মাসে আমদানি ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ৩১৪ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এরপর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৩৯০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা আরও ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৪১৯ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে জাপান ৪০৫ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। বিশাল এ আমদানিবাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে পারলে তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ও বাজার বৈচিত্র্য-দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে জাপানের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির অংশ বৃদ্ধি সেই সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। সূত্র: বাসস