News update
  • PM to address UNGA in Bangla today     |     
  • UNGA President Warns Against Fading Attention to Rohingya     |     
  • PM Proposes Five Urgent Steps to Resolve Rohingya Crisis     |     
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার’ হওয়া উচিত : শি জিনপিং

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-09-24, 2:14pm

shi_ttraamp-d11742bc13d2f03cf84e9d936664bd761790237649.jpg




চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি এই আহ্বান জানান। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত লিখিত বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, ‘আমাদের দুটি দেশ প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ গভীরভাবে জড়িত।’

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে পৌঁছানোর পর দুই নেতা লাল গালিচায় করমর্দন করেন। এরপর ট্রাম্প ও শি’র মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগেই এই মন্তব্যগুলো সামনে এলো।

বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা— বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং তেহরানের প্রতি বেইজিংয়ের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থনের মতো জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শি জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গভীর আলোচনার প্রত্যাশা করছেন।

শি জিনপিং আরও বলেন, দু’দেশের উচিত ‘সহযোগিতাকে প্রধান ভিত্তি, সীমার মধ্যে প্রতিযোগিতা, নিয়ন্ত্রণযোগ্য মতপার্থক্য এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা।’

ট্রাম্পের রাজনৈতিক স্লোগানের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘চীনা জাতির গৌরবময় পুনরুত্থান এবং আমেরিকাকে আবারও মহান করার (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন) লক্ষ্য পুরোপুরি একসাথে চলতে পারে।’

সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুটি পরাশক্তি কীভাবে একসাথে চলতে পারে তার জন্য উভয় পক্ষের একটি ‘সঠিক পন্থা তৈরি’ করা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শি জিনপিং দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এটি অর্জন করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় এই সফর ফলপ্রসূ হবে, আমাদের দুই দেশের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনবে এবং বিশ্ব শান্তির জন্য নতুন আশা জাগিয়ে তুলবে।’