News update
  • Nearly 13m displaced people at health risk for funding cuts     |     
  • Sustained support must to prevent disaster for Rohingya refugees     |     
  • UN rights chief condemns extrajudicial killings in Khartoum     |     
  • BNP stance on reforms: Vested quarter spreads misinfo; Fakhrul     |     
  • New Secy-Gen Shirley Botchwey pledges to advance Co’wealth values in divided world     |     

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে কী বলছে পশ্চিমারা?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2024-11-22, 9:17am

2e6d3c6f550ee1c1163d82bc8db34ed011482f74d0b919a3-a28bc981e9d9afb96d4925678a517a4d1732245465.jpg




ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরোয়ানা জারি করা হয়েছে হামাসের সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধেও। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে অনেকে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পাশাপাশি এই গ্রেফতারি পরোয়ানাকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ইইউ বলছে, তাদের ২৭টি দেশই আইসিসির আইন মানতে বাধ্য। ইতালির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের দেশে নেতানিয়াহু প্রবেশ করলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। 

নেদারল্যান্ড জানায়, তারা আইসিসির আইন মানতে বাধ্য। একই সুরে বেলজিয়ামের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইউরোপের দেশগুলোর উচিত ইসরাইলের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা। এছাড়াও, যত চুক্তি আছে সব বাতিল করার আহ্বান জানায় দেশটি।

এর পাশাপাশি, গণহত্যার জন্য ইসরাইলের সব কর্মকর্তাকে জবাবদিহি করার আহ্বান জানায় তুরস্ক। একইসঙ্গে আইসিসির আইনকে সম্মান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক সব মুক্ত দেশকে আইসিসির রায় মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। 

তবে বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাকচ করে দেয়া হয়েছে এই রায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর আইসিসির আর কোনো কিছু করার নেই। এছাড়া ইসরাইলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত বলেন, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ‘বিপজ্জনক নজির’ স্থাপন করেছে আইসিসি। 

অন্যদিকে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার বলেন, যেসব দেশ এই আইন মানবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সব দেশের রাষ্ট্রদূতকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মনবতাবিরোধী অপরাধের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চলতি বছরের ২০ মে ইসরাইলি নেতাদের পাশাপাশি হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে আইসিসির কাছে আবেদন জানানে এর প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান। 

এরপর পরোয়ানা জারিতে বিলম্ব হওয়ায় বারবার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। প্রায় ছয় মাস পর বহুল কাঙ্ক্ষিত ইসরাইলি দুই নেতার বিরুদ্ধে সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। হামাসের ওই হামলার অজুহাতে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সামরিক আগ্রাসনের নির্দেশ দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত। সেই থেকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইসরাইলি আগ্রাসন।

যদিও চলতি মাসের শুরুর দিকে ইয়োভ গ্যালান্তকে বরখাস্ত করেন নেতানিয়াহু। সময় সংবাদ।