News update
  • El Niño May Push 49 Million More Into Acute Hunger     |     
  • Acting President Urges Unity on National Interest     |     
  • Strong El Nino to dominate global climate in late 2026: WMO     |     
  • July Mass Uprising Day Today     |     
  • PM Inaugurates July Mass Uprising Memorial Museum     |     

আগরতলার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন বন্ধ ঘোষণা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2024-12-03, 9:09pm




ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সমর্থকরা। এতে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় ভারতের প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে কমিশনের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. আল আমীন এ ঘোষণা দেন।

তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত অবস্থার প্রেক্ষাপটে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন, আগরতলার সব প্রকার ভিসা ও কন্স্যুলার সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।

এদিকে, তাৎক্ষনিক বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের কার্যালয়ের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলেও পরে জাতীয় পতাকায় আগুন দেওয়ার ঘটনায় তিন জন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তারা পুলিশের উপপরিদর্শক। এ ছাড়াও একজন ডেপুটি এসপিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছে।

হামলা, ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেখানে নানা ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিশনের প্রধান ফটক ভেঙে প্রাঙ্গণে আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে হামলাকারীরা পতাকার খুঁটি ভাঙচুর করে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা করে এবং সহকারী হাইকমিশনের ভেতরে সম্পত্তির ক্ষতি করে। পরিতাপের বিষয়, প্রাঙ্গণ রক্ষার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ছিলেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৮ নভেম্বর কলকাতায়ও একই ধরনের হিংসাত্মক বিক্ষোভ হয়েছে। আগরতলায় এই বিশেষ কাজটি কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা সনদের লঙ্ঘন।

অপরদিকে, এ ঘটনায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মাকে জরুরি ভিত্তিতে তলব করা হয়।

তলবের পরপরেই হাজির হয়ে প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারত কাজ করতে ইচ্ছুক। বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক বহুমুখী। একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক আটকে থাকবে না। আমরা দুই দেশের মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে আগ্রহী।

তিনি আরও বলেন, আমরা পারস্পরিকভাবেই দুই দেশ নির্ভরশীল। আমাদের অনেক উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে দুই দেশ লাভবান হচ্ছে। যেমন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ অনেক পজিটিভ উন্নয়ন উদ্যোগ আমাদের আছে।

হাইকমিশনার বলেন, সর্বশেষ দুই মাসে আমাদের পরস্পর সহযোগিতার জন্য ইতিবাচক কিছু উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের অনেক ইতিবাচক বিষয় রয়েছে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সামনে অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করে যাবো।

এর আগে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিবাদপত্র ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি