News update
  • Restoring trust in Allah, Caretaker Govt; good governance, employment, no-revenge BNP's key election pledges      |     
  • ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানবেন যে ৪ পদ্ধতিতে      |     
  • Sri Lanka urges Pakistan to reconsider India match     |     
  • Centre of World Cup storm Mustafizur lands PSL deal with Lahore     |     

বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী মিসাইল পরীক্ষা করল ভারত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2025-12-25, 5:36pm

tewrwerwer-69bfa1581689a44a8411abae53756a571766662584.jpg




ভারত তার সমুদ্রসীমায় পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে এক বিশাল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার(২৩ ডিসেম্বর) বঙ্গোপসাগরে পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী কে-৪ ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, যা ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। 

বিশাখাপত্তনম উপকূলে ৬ হাজার টন ওজনের আইএনএস আরিঘাট থেকে এই পরীক্ষা চালানো হলেও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, সলিড-ফুয়েল চালিত এই কে-৪ মিসাইলটি প্রায় দুই টন ওজনের পরমাণু অস্ত্র বহন করতে পারে। ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ বা স্থল, আকাশ ও জলপথে পরমাণু হামলা চালানোর সক্ষমতা পূর্ণ করতে এই মিসাইলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে ভারতের কাছে আইএনএস অরিহন্ত ও আইএনএস আরিঘাট নামে দুটি পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে। এর মধ্যে অরিহন্ত কেবল ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল বহন করতে পারলেও আরিঘাটের এই নতুন সক্ষমতা ভারতকে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশগুলোর কাতারে নিয়ে এল। ভারতের আগামী লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে আরও বড় এবং শক্তিশালী সাবমেরিন আইএনএস অরিধামন নৌবাহিনীতে যুক্ত করা।

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় ভারতের এই সাবমেরিনগুলো আকারে ছোট, তবে কে-৪ মিসাইলের মোতায়েন ভারতের প্রতিরক্ষা দেয়ালকে আরও নিশ্ছিদ্র করবে। ভারতের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে পরমাণু হামলা না করার নীতির ক্ষেত্রে এই সাবমেরিনগুলো সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ সমুদ্রের গভীর থেকে শত্রুর ওপর পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিশ্ব দরবারে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।