News update
  • Dhaka's air 5th worst in the world this morning     |     
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     

দেশজুড়ে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কৃষি 2026-09-11, 5:29pm

gerte34534-29c09aa81e71754313e45aca515bec861789126150.jpg




পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলের ২৪ টি জেলার মানুষের স্বপ্ন ছিল পাংশার এই পদ্মা নদীর ওপর একটি ব্যারাজ। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ম্যানিফেস্ট অনুযায়ী আমারা পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবে রুপ দেয়ার জন্য আজ রাজবাড়ীর পদ্মা নদীর হাবাসপুর উপস্তিত হয়েছি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এই পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪ জেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। বাংলাদের অর্থনৈতিক বিপল্প হবে। এখানে বাঁধের সাথে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। মাছের প্রজনন বৃদ্ধি হবে। কৃষির জন্য সেচ সুবিধা সাড়া বছর চালু থাকবে। অর্থাৎ পদ্মা ব্যারাজ একটি অর্থনৈতিক মেঘা প্রজেক্ট। তাই সব বিবেচনায় সরকার ইতিমধ্যেই প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে।

মন্ত্রী পদ্মা ব্যারাজ পরিদর্শন করে বলেন, আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে রাজবাড়ীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের ২৪ জেলার ৭ কোটি মানুষ সুফল ভোগ করবেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষি খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিও আরও সমৃদ্ধ হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে পদ্মা পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সমীক্ষা করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পদ্মা পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৩ মে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সে সময় পানিসম্পদমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকারের মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্প দ্বারা সরাসরি উপকার পাবে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ।

১৯৬০-এর দশক থেকে ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের দাবি ওঠে।

২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে এ প্রকল্প প্রণয়নের লক্ষ্যে চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরে ২০০২ সালে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়।

২০০৪ সালে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়। এর ভিত্তিতে প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ নকশা চূড়ান্ত করা হয়। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।