News update
  • Man beaten to death in Chuadanga over financial dispute     |     
  • Dhaka's air 5th worst in the world Saturday morning     |     
  • Rooppur NPP: Rosatom installs automated control system at Unit-1     |     
  • Mount Everest season opens late, despite huge ice block, high travel costs     |     
  • 2 more children die with measles-like symptoms in Sylhet     |     

শেষের ঝড়ে চারশ পার করে থামল বাংলাদেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ক্রিকেট 2026-05-09, 3:19pm

shanto-5a461a9593e0176a09259e0f0d8b6cf01778318353.jpg




দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই ফিরে গেলেন মুশফিকুর রহিম। পরের ওভারে সাজঘরের পথ দেখলেন এবাদত হোসেনও। এতে বাংলাদেশের চারশ রান নিয়ে দেখা দিয়েছিল শঙ্কা। এরপর টেস্টে টি-টোয়েন্টি খেললেন তাসকিন আহমেদ। সব শঙ্কা মাড়িয়ে চারশ ছাড়ানো ইনিংস গড়ল বাংলাদেশ।

আজ শনিবার (৯ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে এসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে থামল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

উইকেটে এসেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন তাসকিন। কাউন্টার অ্যাটাকে সফলও হয়েছেন। শেষদিকে দ্রুত স্কোরবোর্ডে যোগ করেছেন বেশকিছু রান। শেষ উইকেটে নাহিদ রানাকে নিয়ে গড়েছিলেন ২৯ রানরে জুটি।

১১৮তম ওভারের প্রথম বলে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে ক্যাচ দেন সৌদ শাকিলকে। ফেরার আগে ৩ চার আর এক ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রান করেন তাসকিন।

জন্মদিন পূর্ণতা পেল না মুশফিকের

মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের আশা ছিল দুটি– মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি আর বাংলাদেশের চারশ রান। কিন্তু বিরতি থেকে ফিরেই শেষ হলো মুশফিকের সেঞ্চুরির আশা। স্ট্যাম্প উড়িয়ে দিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। এতে চারশ রানের আশাও কিছুটা নিরাশায় পরিণত হওয়ার পথে।

দ্বিতীয় সেশনের তৃতীয় বলে রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে আফ্রিদির ডেলিভারিটি ভেতরে ঢুকে মুশফিকের স্টাম্প উপড়ে দেয়। ১৭৯ বলে ৭১ রানের ইনিংস শেষ হয় তার।

পরের ওভারেই ফিরেছেন এবাদত হোসেনও (১০ বলে ০)। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। এবাদতকে ফিরিয়ে ফাইফার তুলে নিয়েছেন আব্বাস।

চারশ রানের আশা জাগিয়ে লাঞ্চে গেল বাংলাদেশ

মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গ দিতে এসে দারুণ শুরু করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই করছিলেন তিনি। কিন্তু বেশি সময় আর উইকেটে থাকতে পারলেন না। এরপর এবাদত হোসেনকে নিয়ে প্রথম সেশনের বাকি দুই ওভার পার করে দিলেন মুশফিকুর রহিম। চারশ রানের আশা জাগিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেল বাংলাদেশ।

দারুণ শুরুর পর তাইজুল পরাস্ত হলেন মোহাম্মদ আব্বাসের বাউন্সারে। ঘার ঘেসে আসা আব্বাসের বাউন্সার পুল করতে চেয়েছিলেন তাইজুল। কিন্তু ব্যাট-বলে সেভাবে সংযোগ ঘটাতে পারেননি তিনি। ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের কাছে। ফেরার আগে ২৩ বলে ১৭ রান করেন তিনি।

ফিরলেন লিটন, দিনের প্রথম উইকেট পতন বাংলাদেশের

প্রথম দিনের বিকেলের ব্যাটিং দ্বিতীয় দিনেও টেনে এনেছিলেন লিটন দাস আর মুশফিকুর রহিম। দুজন মিলে দ্বিতীয় দিনের শুরুটাও বেশ ভালোই করেছিলেন। কিন্তু সেটি টেনে নিয়ে যেতে পারলেন না বেশি দূর। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেট দিয়ে ফিরলেন লিটন।

ইনিংসের ৯৭তম ওভারের চতুর্থ বল। আব্বাস বাউন্সার মেরেছিলেন অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে। কিন্তু লিটন সেটা টেনে এনে মিড অনের ওপর দিয়ে খেললেন। ফলাফল হিসেবে ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক মতো করতে না পারায় মিড অনে বদলি ফিল্ডার আমাদ বাটকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ড্রেসিংরুমে। শেষ হলো ৬৭ বলে ৩৩ রানের ইনিংস। 

লিটনের পর উইকেটে এসেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাকেও উইকেটে থিতু হতে দেননি আব্বাস। ইমাম-উল-হকের ক্যাচ বানিয়ে এই অলরাউন্ডারকে ফেরত পাঠিয়েছেন তিনি। ফেরার আগে মিরাজের ব্যাট থেকে এসেছে ১২ বলে ১০ রান।

হাফসেঞ্চুরি দিয়ে জন্মদিনের সকাল শুরু মুশফিকের

গতকাল দিন শেষ করেছিলেন ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে। হাফসেঞ্চুরি থেকে দুই রান দূরে ছিলেন ‘মি. ডিপেন্ডবেল’ খ্যাত মুশফিকুর রহিম। আজ তার ৩৯তম জন্মদিন। দিনের শুরুতেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করে জন্মদিনের আনন্দ কিছুটা বৃদ্ধি করলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এখন নিশ্চয়ই মুশফিকের চোখ তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করে জন্মদিনকে পূর্ণতা দেওয়া।

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে প্রথম দিন ছিল বাংলাদেশের 

প্রথম দিনের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্রুতই হারিয়েছিল দুই ওপেনারকে। শুরুর সেই ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগেনি স্বাগতিকদের। এরপর দিনের প্রায় পুরোটা সময় শাসন করেছে পাকিস্তানি বোলারদের। মাঝে সফরকারী বোলাররা দুটি উইকেট পেলেও ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

এদিন বাংলাদেশের আলোকবর্তিকা হয়ে ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক। শান্ত তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারও স্পর্শ করেছেন। ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে মুমিনুল ফিরেছেন নার্ভাস নাইটিতে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে। মুমিনুলের ইনিংস থেমেছে ১০ চারের মারে ২০০ বলে ৯১ রানে।

প্রথম দিন শেষে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।