
আইপিএল নিলামে চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর মোস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এমন প্রশ্ন উঠছে, মোস্তাফিজ কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে কি না।
সম্প্রতি এ বিষয়ে পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন আইপিএল কতৃপক্ষের একটি সূত্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি বলেন, আইপিএলের সব খেলোয়াড়ের বেতন বিমাকৃত। বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর বা টুর্নামেন্ট চলাকালে চোট পেলে ফ্র্যাঞ্চাইজি অর্থ পরিশোধ করে। সাধারণত বীমা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া যায়।
তবে মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। কারণ তার চুক্তি বাতিল কোনো চোটজনিত কারণে বা ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্স সংক্রান্ত নয়। ফলে কেকেআরের ওপর তাকে অর্থ পরিশোধের কোনো চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা নেই।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি বীমার আওতায় পড়ে না। তাই কেকেআরের এক টাকাও দেওয়ার আইনি দায় নেই। বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক হলেও মুস্তাফিজের সামনে একমাত্র পথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। তাও আবার আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীন।
তিনি আরও বলেন, কোনো বিদেশি ক্রিকেটারই সাধারণত এই পথে যেতে চান না, এমনকি কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)-এ যাওয়ার ঝুঁকিও নেন না।
সূত্রের মতে, বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আইপিএল সংশ্লিষ্ট সূত্রটি বলছে, ভারত-বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক ভারত-পাকিস্তানের মতো নয়। এখনকার পরিস্থিতি আগামী বছরই বদলে যেতে পারে। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে আইনি লড়াইয়ে নামতে কেউই আগ্রহী হবেন না।