News update
  • Rooppur Unit-1 Gets Approval for First Nuclear Reaction     |     
  • DP World to Operate Chattogram Port NCT for 15 Years     |     
  • Anne Carson Wins 2026 Nobel Prize in Literature     |     
  • Workers Helping Feed the World but Starved of Dignity     |     
  • They feed the world, but food workers are Earth’s most exploited     |     

তাজিয়া মিছিলে যুবক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৪

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-06-27, 11:11pm

img_20260627_230845-9960740660f86dae6fd732a4ff47b6021782580260.jpg




রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত যুবক হত্যার ঘটনায় করা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ চারজনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সূত্রাপুর থানা।

শুক্রবার (২৬ জুন) দিনগত রাত আনুমানিক ১টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্রাপুর থানা জানায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার সময় রাজধানীর সূত্রাপুর থানাধীন বিবিকা রওজা ইমামবাড়া থেকে একটি তাজিয়া মিছিল চকবাজার-লালবাগ হয়ে ধানমণ্ডির উদ্দেশে রওনা করে। ওই তাজিয়া মিছিলটি বাংলাবাজার অতিক্রমের সময় বিকেল আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটের সময় পি কে রায় রোডের ইস্পাহানি ভবনের নিচতলায় অজ্ঞাতনামা কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক অজ্ঞাতনামা এক যুবককে এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ভুক্তভোগী ও হামলাকারীদের চিহ্নিত করার কাজ আরম্ভ করে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায়, ভুক্তভোগীর নাম মো. জাকির হোসেন (৩১)। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করত মর্মে জানা যায়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর বড় ভাই অজ্ঞাতনামা ১৪ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের পরিচয় শনাক্ত করে এবং সূত্রাপুর থানার একাধিক অপারেশন টিম ২৬ জুন রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো—এক. মো. রাশেদ (২০) ও তিনজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু। এ সময় তাদের হেফাজত হতে একটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি চাপাতি, ঘটনার সময় তাদের পরনে থাকা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত মূলত তাজিয়া মিছিলে থাকা ডুলির রশি ধরাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ও হামলাকারীদের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ভুক্তভোগীকে ধাওয়া করলে আত্মরক্ষার্থে তিনি পি কে রায় রোডের ইস্পাহানি ভবনের নিচে আশ্রয় নেন এবং সেখানে হামলার শিকার হন।

ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদেরকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।