News update
  • JS passes Tk 9.38 lakh crore budget for FY27     |     
  • Court ruling blocks Aslam Chowdhury’s MP oath     |     
  • Prioritise natural resources regeneration in budget to make dev holistic     |     
  • Finance Bill passed, tax-free threshold set at Tk 4 lakh     |     
  • PM calls FY27 budget 'life-friendly', promises relief     |     

সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-06-30, 8:08pm

img_20260630_200809-0cf8024682679e899ee1e540888e747e1782828511.jpg




ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এবার এই গণতন্ত্রকে সুসংহত করার পালা।

আগামীকাল ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে, যা অত্যন্ত গৌরবের। এই উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাবেক-বর্তমান সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ১৯২১ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানসহ সব সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজারো সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের এই যুগে প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক করার কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে। শিক্ষাকে শুধু সার্টিফিকেটনির্ভর না রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ন্যানোটেকনোলজির মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। এ ছাড়া ব্রিটেনসহ বিশ্বের অন্য দেশের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক কর্মবাজারে জায়গা করে নিতে শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষায় পারদর্শী হতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। তরুণদের ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এই ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।